শীতে সকালে খালিপেটে একটু রসুন খান। এমন পরামর্শ তো অনেকেই দিয়ে থাকেন। আয়ুর্বেদ মোতাবেক রসুনকে মহৌষধি বলে। অমৃত সমান এককোয়া রসুনের অনেক গুণ।
তবে রসুন কতটা খাবেন, কীভাবে খাবেন, কখন খাবেন, এসব জেনে রাখাটা ভীষণ জরুরি। রসুন রান্নায় দিলে পুষ্টির উৎস রূপে মানা হয়। হাড় জুড়তে সাহায্যকারী হিসেবে এর জুড়ি মেলা ভার। কণ্ঠকে ভাল করতেও রসুন ভীষণ উপকারী। অ্যামেরিকার ন্যাশনাল লাইব্রেরি অফ মেডিসিনে প্রকাশিত এক রিপোর্টে রসুনের ব্যবহারকে অত্যন্ত গুণদায়ক বলে অ্যাখা দেওয়া হয়েছে।
বলা হয়েছে, শীতে কাঁচা রসুন খান যারা, তাদের সর্দি-জ্বর হওয়ার সম্ভাবনা ৬৩% কমে যায়।
রসুনে রয়েছে অ্যান্টি ইনফ্ল্যামেটরি, অ্যান্টি-অক্সিডেন্টের গুণ। ম্যাগনেশিসাম, ক্যালশিয়াম, জিঙ্ক, ভিটামিন সি, ভিটামিন এ ও ভিটামিনের বি-এর আকর রসুন। রসুনে স্থিত এলিসিন রক্তের প্রবাহ বাড়াতে সহায়তা করে। তাহলে কি সবসময় রসুন খাওয়া শ্রেয়? সবাই কি খেতে পারেন?
আয়ুর্বেদ উদ্ধৃত করে বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, ইউরিক অ্যাসিড ও কোলেস্টেরল সম্পর্কিত সমস্যা রয়েছে যাদের, তারা খালিপেটে দু কোওয়া রসুন সেবন করতে পারেন।
রাতে শোওয়ার সময় দু কোওয়া রসুন জলে ভিজিয়ে রাখতে পারেন। পরে সকালে খেতে হবে তা। তবে একটা জিনিস মাথায় রাখতে হবে। কোনো অ্যালার্জির সমস্যা থাকলে আর কোনো ওষুধ চললে, অবশ্যই চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করে নিতে হবে।