ত্বকের মরা কোষ, ব্ল্যাক হেডস, অতিরিক্ত তেল পরিষ্কার করতে সাহায্য নেওয়া হয় গরম ভাপের। ফেসিয়াল করতে গেলেও ক্রিম মাসাজের পর ব্ল্যাক হেডস বের করতে মুখে বাষ্প দেওয়া হয়। পরিচর্যা শেষে মুখ চকচকে হয়ে ওঠে। তবে অনেকে বাড়িতেই এই পদ্ধতিটি অনুসরণ করতে চান। তবে এক্ষেত্রে সঠিক নিয়ম জানা উচিত। না হয় অতিরিক্ত গরমে উজ্জ্বলতা দূরে থাক, বরং ত্বকে কালচে ভাব চলে আসতে পারে। তাই কিভাবে গরম পানির ভাপ নেবেন তা নিয়েই এ প্রতিবেদন।
মুখে ভাপ দেওয়া বা ফেসিয়াল স্টিমিং কী
সর্দি-কাশির সময় বুকের কফ বের করতে, শ্বাস নিতে যাতে আরাম হয়, সে জন্য এই পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। ঠিক তেমনই গরম বাষ্পের সাহায্যে মুখের অতিরিক্ত তেল, ধুলো ময়লা, মরা কোষ এ ভাবে সরিয়ে ফেলা যায়।
উপকারিতা
ত্বকের উজ্জ্বলতা ফেরানো, আর্দ্রতা বজায় রাখা, রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি করা, ব্রণ দূর করাসহ একাধিক উপকার হয় এই পদ্ধতিতে। চাইলে বাড়িতেই এ পদ্ধতিতে মুখের যত্ন নিতে পারেন। কিভাবে এ পদ্ধতিতে মুখের যত্ন নেবেন, চলুন জেনে নিই।
যা মাথায় রাখবেন
কিভাবে ভাপ নেবেন
একটি বাটিতে গরম পানি নিতে হবে। একটি বড় তোয়ালে দিয়ে মাথা থেকে গামলা এমনভাবে ঢেকে দিন যাতে পানির বাষ্প সরাসরি মুখে পৌঁছায়। একেবারে বাটির কাছে মুখ নেওয়া যাবে না। একটু উঁচু থেকে ভাপ নিলেই হবে। বাটির খুব কাছে মুখ নিলে বেশি গরমে ত্বকের ক্ষতি হতে পারে। মিনিট পাঁচেক ভাপ নিয়ে তোয়ালে দিয়ে মুখ মুছে নিলেই হবে। গরম পানিতে তোয়ালে ভিজিয়ে পানি নিংড়ে সেই তোয়ালে মুখে দিলেও ভাপ লাগবে। মুখে ভাপ দেওয়ার জন্য যন্ত্র পাওয়া যায়। যন্ত্রের মধ্যে পানি দিয়ে বিদ্যুৎ সংযোগ দিলেই পানি ফুটতে শুরু করবে। যন্ত্রের মুখ দিয়ে বাষ্প বের হবে।
বাড়তি উপকার
ত্বকে বাড়তি উজ্জ্বলতা পেতে পানিতে ভেষজ ও এসেনশিয়াল অয়েল, যেমন টি ট্রি অয়েল, ল্যাভেন্ডার অয়েল মিশিয়ে দিতে পারেন। তবে মাসে দুই বারের বেশি ভাপ নেওয়া ঠিক নয়। বড়জোর ৫-১০ মিনিট নেওয়া যেতে পারে। তার বেশি নয়।