সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:৩৫ অপরাহ্ন
Banner
আজকের শিরোনাম :
ক্যান্সার চিকিৎসায় আসছে ১৭ রেডিওথেরাপি মেশিন, রোবটিক সার্জারির ৫টিও এ বছর ২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে  ৬ জনের মৃত্যু একনেকে ১৬ হাজার কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন ২ কোটি শিশু হামের টিকার আওতায়, এক মাসে আরও ৩৫ লাখকে টিকা : স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলায় সারা দেশে স্বাস্থ্যসেবা জোরদার সরকারের ওজন কমাতে কেন এই পাঁচ চা খাবেন? নারীদের হার্ট অ্যাটাকের গোপন ৪ সংকেত, যা অবহেলা করলেই বিপদ নতুন গবেষণা, গর্ভাবস্থায় সংক্রমণ হলে প্রতিবন্ধী হতে পারে শিশু এলপিজির সংকট নেই, মজুতদারি করলে ব্যবস্থা : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হৃদয়ের সতর্কসংকেত উপেক্ষা করা যাবে না : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

ইসবগুলের এই উপকারিতা জানতেন?

প্রতিনিধির নাম / ৯১ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : February 6, 2025
ইসবগুলের এই উপকারিতা জানতেন?

ইসবগুল সাধারণত পেট পরিষ্কার করার জন্য খাওয়া হয়। কিন্তু উপকারী এই দানা আরও অনেকভাবে শরীরকে সুস্থ রাখতে কাজ করে, সেকথা কি জানতেন? ইসবগুলকে বলা হয় প্রাকৃতিক ওষুধ, যা দ্রুত পেট পরিষ্কার করতে কাজ করে। এখানেই শেষ নয়, এটি যদি আপনি গরম পানিতে গুলিয়ে খান তবে চমকে যাওয়ার মতো উপকার পাবেন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পানীয় আপনার শরীর থেকে ক্ষতিকর কোলেস্টেরল দূর করতে কাজ করবে।

ইসবগুলের পুষ্টিগুণ

ইসবগুল তো খান, এতে কতটা পুষ্টিগুণ থাকে তা জানেন তো? এক টেবিল চামচ ইসবগুলে ৫৩% ক্যালোরি, ১৫ মিলিগ্রাম সোডিয়াম, ১৫ গ্রাম শর্করা, ৩০ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম, ০.৯ মিলিগ্রাম আয়রন পাওয়া যায়। সেইসঙ্গে এতে থাকে না কোনো ফ্যাটও। তাই ইসবগুল খেলে শরীরে কোনো ক্ষতিকর প্রভাব পড়ে না।

ইসবগুল কীভাবে খাবেন

ইসবগুল উপকারী বলেই যে অনেকটা খেতে হবে, এমন কোনো কথা নেই। দিনে ১ টেবিল চামচ করে দিনে ৩ বার খেলেই যথেষ্ট। তবে ঠান্ডা পানির বদলে খেতে হবে গরম পানিতে গুলে। কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য রাতে ইসবগুল খেতে পারেন। তবে প্রথমদিকে দিনে তিনবার না খেয়ে একবার, এরপর দুইবার এভাবে আস্তে আস্তে দিনে তিনবার এটি খাওয়া শুরু করতে পারেন। তাহলে এটি শরীরে ভালোভাবে কাজ করতে পারবে।

যেভাবে কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ করে

কোলেস্টেরল সাধারণত দুই ধরনের হয়ে থাকে। তার মধ্যে একটি হলো উপকারী কোলেস্টেরল এবং অপরটি ক্ষতিকর কোলেস্টেরল। ক্ষতিকর কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে না রাখা গেলে ঘটতে পারে বিপদ। আমরা যখন ইসবগুল খাই তখন আমাদের অন্ত্রে একটি পাতলা স্তর তৈরি হয়, যে কারণে আমাদের শরীর ক্ষতিকর কোলেস্টেরল শোষণ করতে পারে না। ফলস্বরূপ ক্ষতিকর কোলেস্টেরল মলের সঙ্গে বের হয়ে যায়।

বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে যে, যারা কোলেস্টেরল কমানোর ওষুধ খান তাদের থেকে যারা নিয়মিত ইসবগুল খান তাদের শরীর থেকে ক্ষতিকর কোলেস্টেরল বেশি কমেছে। নিয়মিত ওষুধ খাওয়া রোগীদের শরীরে ৮.৭ শতাংশ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমেছে, অপরদিকে ইসবগুল খাওয়ার ফলস্বরূপ ক্ষতিকর কোলেস্টেরলের মাত্রা কমতে দেখো গেছে ৯.৭ শতাংশ।

 

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির অন্যান্য খবর