হেয়ারব্রাশ বা চিরুনি শুধু চুল ঠিক করে না, এটি নষ্টও করতে পারে। কারণ এতে জমে থাকে ময়লা, তেল এবং ব্যাকটেরিয়া। তাই এটি নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে। জেনে নিন, কীভাবে হেয়ারব্রাশ বা চিরুনি পরিষ্কার করবেন, আর কখন বদলাবেন।
হেয়ারব্রাশ বা চিরুনি শুধু চুলের গিঁট খোলে না, এটি চুলের স্বাস্থ্য বজায় রাখতেও সাহায্য করে। কিন্তু সময়ের সাথে সাথে ব্রাশে তেল, ময়লা, হেয়ার প্রোডাক্টের স্তর এবং ব্যাকটেরিয়া জমে। এগুলো আবার ফিরে যেতে পারে আপনার পরিষ্কার চুলে।
হেয়ারব্রাশ কতটা নোংরা হয়?
আপনি যদি চুলে তেল দেন বা নিয়মিত পরিষ্কার করেন। তাহলে ব্রাশ পরিষ্কার করা জরুরি। কারণ, পরিষ্কার ব্রাশ চুলকে ময়লা এবং তেল থেকে মুক্ত রাখে। হেয়ার প্রোডাক্ট (যেমন হেয়ারস্প্রে, মাউস বা ড্রাই শ্যাম্পু) ব্যবহার করলে ব্রাশে দ্রুত ময়লা জমে। এমনকি প্রোডাক্ট ব্যবহার না করলেও, চুলের প্রাকৃতিক তেল ব্রাশে জমে এবং ময়লা তৈরি করে।
কতবার ব্রাশ পরিষ্কার করবেন?
• যদি প্রতিদিন হেয়ার প্রোডাক্ট ব্যবহার করেন। তাহলে সপ্তাহে ২ বার ব্রাশ পরিষ্কার করুন।
• আর যদি প্রোডাক্ট কম ব্যবহার করেন। তবে সপ্তাহে ১ বার বা ২ সপ্তাহে ১ বার পরিষ্কার করতে পারেন।
কীভাবে হেয়ার ব্রাশ পরিষ্কার করবেন
চুল সরান: আপনার ব্রাশ পরিষ্কার করার প্রথম ধাপ হল ব্রিস্টলে আটকে থাকা চুল সরিয়ে ফেলতে হবে। আর জেদি চুলগুলো পরিষ্কার টুথব্রাশ বা চিরুনি দিয়ে বের করে নিন।
ভিজিয়ে রাখুন এবং স্ক্রাব করুন: একটি ছোট বাটি নিন। তাতে হালকা গরম পানি দিয়ে পূর্ণ করুন এবং কয়েক ফোঁটা ডিশ সাবান বা হালকা শ্যাম্পু নিন। ব্রাশটিকে বাটিতে ৫-১০ মিনিটের জন্য ডুবিয়ে রাখুন। যদি ব্রাশটি কাঠের তৈরি হয়, তাহলে পানিতে দেবেন না। এতে ব্রাশ নষ্ট করতে পারে।
চুলের বৃদ্ধিতে কফি, কীভাবে কাজ করে জানেন?
ধুয়ে ফেলুন এবং শুকান: ভিজিয়ে রাখার পরে, হেয়ারব্রাশটি হালকাভাবে একটি পুরানো টুথব্রাশ দিয়ে স্ক্রাব করুন। যাতে আটকে থাকা ময়লাগুলো সরানো যায়। ব্রাশটি পরিষ্কার পানি দিয়ে নিন। তারপর শুকনো তোয়ালে দিয়ে মুছে নিন।
হেয়ারব্রাশ নিয়মিত পরিষ্কার করুন। তবে এটি ৬ থেকে ১২ মাসের বেশি সময় ধরে ব্যবহার করা উচিত নয়। পুরানো বা ক্ষয়প্রাপ্ত ব্রাশ চুলের আরও ক্ষতি করতে পারে।