সবাই কম-বেশে আলু খেতে ভালোবাসেন। ভর্তা থেকে পছন্দের বিরিয়ানি– সবকিছুতেই এই সবজির অবাধ বিচরণ। এই আলুর বিভিন্ন ধরন রয়েছে। এর একটি মিষ্টি আলু। অনেকেই জানতে চান মিষ্টি আলু খাওয়া কি সাধারণ আলুর তুলনায় বেশি উপকারী?
তাই চলুন জেনে নেওয়া যাক আলুর পুষ্টিগুণ সম্পর্কে ও কোনটির উপকারিতা তুলনামূলক বেশি।
সাধারণ আলুর পুষ্টিগুণ
আলুতে রয়েছে ভিটামিন সি-এর ভাণ্ডার। আর এই ভিটামিন দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। শুধু তাই নয়, এতে ভিটামিন বি৬-ও যথেষ্ট পরিমাণে রয়েছে। এর পাশাপাশি পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, ক্যালশিয়ামের মতো খনিজেরও উপস্থিতি থাকে এই সবজিতে। শুধু তাই নয়, এই সবজি পেটের জন্যও খুব উপকারী। তাই গ্যাস, অ্যাসিডিটিতে ভুক্তভোগীরা নিয়মিত এই সবজি খেতেই পারেন।
মিষ্টি আলুর পুষ্টিগুণ
মিষ্টি আলুতে রয়েছে ভিটামিন সি, ভিটামিন বি, আয়রন, ম্যাগনেশিয়াম, থিয়ামিন, জিঙ্ক, পটাশিয়াম, ফসফরাস, ক্যালসিয়াম, আয়রন থেকে শুরু করে একাধিক জরুরি ভিটামিন ও খনিজ। এর পাশাপাশি এতে পর্যাপ্ত পরিমাণে ক্যারোটিনয়েডসও রয়েছে। যেই কারণে নিয়মিত মিষ্টি আলু খাওয়া শরীরের জন্য উপকারী।
মিষ্টি আলু নাকি সাধারণ আলু- কোনটি বেশি উপকারী
আলু এবং মিষ্টি আলুর পুষ্টিগুণ প্রায় সমান। তবে যদি একদম নির্দিষ্ট করে বলতে হয়, তাহলে অনায়াসে বলা যায় যে আলুর থেকে পুষ্টিগুণের বিচারে মিষ্টি আলু কিছুটা হলেও বেশি উপকারী। কিন্তু এই পার্থক্য এতটাই কম যে এদের মধ্যে অমূলক তুলনা করে লাভ নেই।
ডায়াবেটিসে খাওয়া যায় কিনা
ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে না থাকলে কোনো আলুই খাওয়া চলবে না। তবে এটি যদি নিয়ন্ত্রণে থাকে, সেক্ষেত্রে অনায়াসে দিনে ২৫ গ্রাম মিষ্টি বা সাধারণ আলু খাওয়া যেতে পারে। তবে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী মেনে চলতে হবে। তাতে সমস্যার আশঙ্কা নেই। তবে এর বেশি না খাওয়ায় ভালো।