সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:৪৩ অপরাহ্ন
Banner
আজকের শিরোনাম :
ক্যান্সার চিকিৎসায় আসছে ১৭ রেডিওথেরাপি মেশিন, রোবটিক সার্জারির ৫টিও এ বছর ২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে  ৬ জনের মৃত্যু একনেকে ১৬ হাজার কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন ২ কোটি শিশু হামের টিকার আওতায়, এক মাসে আরও ৩৫ লাখকে টিকা : স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলায় সারা দেশে স্বাস্থ্যসেবা জোরদার সরকারের ওজন কমাতে কেন এই পাঁচ চা খাবেন? নারীদের হার্ট অ্যাটাকের গোপন ৪ সংকেত, যা অবহেলা করলেই বিপদ নতুন গবেষণা, গর্ভাবস্থায় সংক্রমণ হলে প্রতিবন্ধী হতে পারে শিশু এলপিজির সংকট নেই, মজুতদারি করলে ব্যবস্থা : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হৃদয়ের সতর্কসংকেত উপেক্ষা করা যাবে না : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

কাজের ফাঁকে ঘুমানোর উপকারিতা কতটুকু

প্রতিনিধির নাম / ৯৩ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : February 19, 2025
কাজের ফাঁকে ঘুমানোর উপকারিতা কতটুকু

কর্মস্থলে ঘুমানোর ধারণাটি বর্তমানে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে, কারণ বড় বড় কোম্পানিগুলো এখন কর্মীদের শারীরিক এবং মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতির জন্য কর্মস্থলে ঘুমের উপকারিতা নিয়ে ভাবছে। সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গেছে, কাজের মাঝে অল্প কিছুক্ষণের ঘুম (পাওয়ার ন্যাপ) কর্মীদের উৎপাদনশীলতা, সৃজনশীলতা এবং সামগ্রিক সুস্থতা বৃদ্ধি করতে পারে।

গুগল, নাইকি এবং বেন অ্যান্ড জেরির মতো বড় কোম্পানিগুলো ইতোমধ্যে তাদের অফিসে ন্যাপ পড এবং বিশ্রামের জন্য নির্দিষ্ট জায়গা স্থাপন করেছে, যাতে কর্মীরা ছোট একটি ন্যাপ নিয়ে নতুন শক্তিতে কাজ শুরু করতে পারে। বিশেষজ্ঞরা বলেন, মাত্র ২০ থেকে ৩০ মিনিটের একটুখানি ঘুম স্মৃতিশক্তি, সমস্যা সমাধানের দক্ষতা এবং চাপ কমাতে সাহায্য করতে পারে।

ন্যাশনাল স্লিপ ফাউন্ডেশনের এক গবেষণায় বলা হয়, পাওয়ার ন্যাপ ঘুমের অভাবের নেতিবাচক প্রভাব দূর করতে সাহায্য করে, যা বিশ্বব্যাপী লাখ লাখ কর্মীকে প্রভাবিত করছে। হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটির স্লিপ বিজ্ঞানী ড. এমিলি কার্টার বলেন, অনেক কর্মী দুপুরে ক্লান্ত হয়ে পড়েন, যার ফলে তাদের কার্যক্ষমতা কমে যায়। ছোট্ট একটি ন্যাপ সেই ক্লান্তি দূর করতে এবং মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা উন্নত করতে সহায়তা করতে পারে।

কিছু সমালোচক মনে করেন যে, কর্মীদের ঘুমানোর অনুমতি দিলে তা আলস্য সৃষ্টি করবে। তবে, যেসব কোম্পানি ন্যাপ-ফ্রেন্ডলি নীতি গ্রহণ করেছে, তারা এর বিপরীত ফলাফল দেখছে। একটি সাম্প্রতিক জরিপে বলা হয়েছে, যেসব প্রতিষ্ঠানে ন্যাপ প্রোগ্রাম রয়েছে, সেগুলোতে উৎপাদনশীলতা ৩০% বৃদ্ধি পেয়েছে এবং কর্মীদের সন্তুষ্টি ২৫% বেড়েছে।

বিশ্বব্যাপী কর্মী সুস্থতাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে, ফলে কর্মস্থলে ঘুমানোর ধারণাটি শীঘ্রই বিলাসিতা না হয়ে একটি সাধারণ অভ্যাস হয়ে উঠতে পারে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির অন্যান্য খবর