সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:৪৭ অপরাহ্ন
Banner
আজকের শিরোনাম :
ক্যান্সার চিকিৎসায় আসছে ১৭ রেডিওথেরাপি মেশিন, রোবটিক সার্জারির ৫টিও এ বছর ২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে  ৬ জনের মৃত্যু একনেকে ১৬ হাজার কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন ২ কোটি শিশু হামের টিকার আওতায়, এক মাসে আরও ৩৫ লাখকে টিকা : স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলায় সারা দেশে স্বাস্থ্যসেবা জোরদার সরকারের ওজন কমাতে কেন এই পাঁচ চা খাবেন? নারীদের হার্ট অ্যাটাকের গোপন ৪ সংকেত, যা অবহেলা করলেই বিপদ নতুন গবেষণা, গর্ভাবস্থায় সংক্রমণ হলে প্রতিবন্ধী হতে পারে শিশু এলপিজির সংকট নেই, মজুতদারি করলে ব্যবস্থা : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হৃদয়ের সতর্কসংকেত উপেক্ষা করা যাবে না : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

ভাতের সঙ্গে কাঁচা লবণ খেলে হতে পারে যে ক্ষতি

প্রতিনিধির নাম / ১০০ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : February 23, 2025
ভাতের সঙ্গে কাঁচা লবণ খেলে হতে পারে যে ক্ষতি

শরীরে অতিরিক্ত সোডিয়ামের কারণে সারা বিশ্বে প্রতি বছর কোটি কোটি মানুষ মারা যায়। আপনি যদি স্বাদ অনুযায়ী হিসেবেই অতিরিক্ত লবণ খান তবে তা আপনার জন্য বিষের সমতুল্য হতে পারে। তাই কাঁচা লবণ খাওয়া একদমই স্বাস্থ্যকর অভ্যাস নয়। এর থেকে নানা ধরনের সমস্যা তৈরি হতে পারে।

তাই যেকোনো বয়সের ব্যক্তিকেই কাঁচা লবণ খাওয়ার অভ্যাস ছাড়তে হবে। আপনি সবসময় শেফদের কাছ থেকে খাবারে স্বাদ অনুযায়ী লবণ যোগ করার পরামর্শ শুনে থাকবেন, তবে প্রতিদিন একই পরিমাণে এর ব্যবহার অস্বাস্থ্যকর হিসেবে ধরা হয়।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশ্বের অধিকাংশ মানুষ প্রতিদিন প্রয়োজনের দ্বিগুণ লবণ খান। বেশিরভাগ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ প্রতিদিন ১০.৭৮ গ্রাম লবণ খান, যা দুই চা চামচের সমান।

তাতে ৪৩১০ মিলিগ্রাম সোডিয়াম থাকে। যা দৈনিক প্রয়োজনের প্রায় দ্বিগুণ। কাঁচা লবণ খাওয়া একদমই স্বাস্থ্যকর অভ্যাস নয়। এর থেকে নানা ধরনের সমস্যা তৈরি হতে পারে।

তাই যেকোনো বয়সের ব্যক্তিকেই কাঁচা লবণ খাওয়ার অভ্যাস ছাড়তে হবে।
অনেকে মনে করেন বিট লবণ খেলে অতটা ক্ষতি হয় না। কিন্তু এই ধরনের লবণেও রয়েছে সোডিয়ামের ভাণ্ডার। তাই বিট লবণ খেলেও সমস্যা হতে পারে। তাই কোনো ধরনের লবণই বেশি মাত্রায় খাওয়া ঠিক না।

দিনে ৪ থেকে ৭ গ্রাম লবণ একজন ব্যক্তি খেতে পারেন। ছোট চামচের এক চামচ লবণ খাবারে মেশাতে পারেন, তার বেশি নয়।

এই প্রতিবেদনের তথ্যগুলো বিশেষজ্ঞের পরামর্শ ও মতামত হিসেবে দেওয়া। তাই কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া বা যেকোনো সমস্যার ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির অন্যান্য খবর