ক্যাপসুলের ক্ষেত্রেও একই রকম হয়। যদি একেকটা ক্যাপসুল একেক রঙের হয় এবং মাপও একই রকম না হয় তবে বুঝতে হবে এটি ভেজাল ওষুধ।
আসল ওষুধের প্যাকেটে থাকবে কিউআরটি কোড। যা স্ক্যান করলে, ওষুধ সম্পর্কে যাবতীয় তথ্য পাওয়া যাবে।
আসল ওষুধে কোম্পানির নাম, তার পাশেই থাকবে ওষুধের জেনেরিক নাম থাকে। তৈরির তারিখ এবং এক্সপেয়ার হওয়ার তারিখও দেওয়া থাকে। সঙ্গে থাকবে ব্যাচ নম্বর এবং লাইসেন্স নম্বর। প্রত্যেক ওষুধের ক্ষেত্রেই কোম্পানিগুলো তাদের প্যাকেটে এই তথ্যগুলো দিয়ে থাকে। ভেজাল ওষুধের গায়ে এমনটা থাকে না।
দামি ওষুধ যে উপাদন দিয়ে তৈরি, সস্তা ওষুধে তা থাকবে না। তাই ওষুধ খেয়েও সমস্যা না কমলে বুঝতে হবে সমস্যা রয়েছে। এক্ষেত্রে স্যাম্পল
টেস্ট করাতে হবে।
কোনও বিশেষ কোম্পানি ওষুধ খেয়ে রোগ নিরাময় হচ্ছে না? এক্ষেত্রে অন্য কোম্পানির সেই ওষুধ খেয়ে দেখুন। তবে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে নিবেন।







