সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:১০ অপরাহ্ন
Banner
আজকের শিরোনাম :
ক্যান্সার চিকিৎসায় আসছে ১৭ রেডিওথেরাপি মেশিন, রোবটিক সার্জারির ৫টিও এ বছর ২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে  ৬ জনের মৃত্যু একনেকে ১৬ হাজার কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন ২ কোটি শিশু হামের টিকার আওতায়, এক মাসে আরও ৩৫ লাখকে টিকা : স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলায় সারা দেশে স্বাস্থ্যসেবা জোরদার সরকারের ওজন কমাতে কেন এই পাঁচ চা খাবেন? নারীদের হার্ট অ্যাটাকের গোপন ৪ সংকেত, যা অবহেলা করলেই বিপদ নতুন গবেষণা, গর্ভাবস্থায় সংক্রমণ হলে প্রতিবন্ধী হতে পারে শিশু এলপিজির সংকট নেই, মজুতদারি করলে ব্যবস্থা : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হৃদয়ের সতর্কসংকেত উপেক্ষা করা যাবে না : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

গরমে সুস্থ থাকতে কী খাবেন, কী এড়াবেন, জেনে নিন

প্রতিনিধির নাম / ৮২ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : April 29, 2025
গরমে সুস্থ থাকতে কী খাবেন, কী এড়াবেন, জেনে নিন

চলছে গ্রীষ্মকাল। এ ঋতুতে সময়-অসময়ে তাপমাত্রা বেড়ে যায়। ফলে কিছুক্ষণ পরপর ঘাম হওয়া, পানি তৃষ্ণা পাওয়া, ত্বকের সমস্যা, হিটস্ট্রোক ও হজমজনিত নানা সমস্যা হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এ জন্য খাদ্যতালিকায় পরিবর্তন আনা জরুরি।

গরমের সময় একটু সচেতন হয়ে খাদ্যতালিকায় পরিবর্তন আনলেই উপকার মিলে। ভারতীয় একটি সংবাদমাধ্যম এ ব্যাপারে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। এবার তাহলে গ্রীষ্মে কোন ধরনের খাবার খেতে হবে এবং কী এড়িয়ে চলতে হবে, তা জেনে নেয়া যাক।

কোন ধরনের খাবার খেতে হবে:

তরলজাতীয় ফল: গ্রীষ্মে তরলসমৃদ্ধ ফলমূল বেশি বেশি খেলে ভালো উপকার পাওয়া যায়। এ সময় তরমুজ, শসা, বেল, আমড়া, আঙুর, কমলালেবু ইত্যাদি ফল খেলে শরীর ঠান্ডা থাকে। একইসঙ্গে পানিশূন্যতা প্রতিরোধ হয়।

দই-লাচ্ছি-ছানার ঘোল: এসব হচ্ছে ফার্মেন্টেড খাবার। এ জাতীয় খাবার হজমের সহায়ক এবং শরীর ঠান্ডা রাখে।

ডাবের পানি: গরমে শরীর ঠান্ডা রাখার জন্য নিয়মিত ডাবের পানি পান করতে পারেন। ইলেকট্রোলাইট সমৃদ্ধ হওয়ায় ডাবের পানি পানে খুবই উপকার পাওয়া যায়।

লেবু পানি ও আমপানা: গরমে শরীরের প্রয়োজনীয় খনিজ পদার্থ দূর করার জন্য এবং শরীর ঠান্ডা রাখতে লেবু পানি বা আমপানা পান করতে পারেন।

সবুজ শাকসবজি: এ সময় পালং শাক, মুলা শাক, পুঁইশাক ইত্যাদি শাকসবজি খেতে পারেন। এতে শরীরও ঠান্ডা থাকবে, আবার পুষ্টির ঘাটতিও দূর হবে।

যেসব খাবার এড়ানো উচিত:

ঝাল ও ভাজাপোড়া: গরমের সময় ঝাল ও ভাজাপোড়া খাবার যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলা উচিত। এসব খাবার শরীরের তাপমাত্রা বাড়ায়, হজমে সমস্যা তৈরি করে এবং গ্যাস-অম্বলের কারণ হতে পারে।

মাংসজাতীয় খাবার: গ্রীষ্মে খাবার হজম হতে দীর্ঘ সময়ের প্রয়োজন হয়। এ সময় মাংসজাতীয় খাবার খেলে শরীরে অতিরিক্ত তাপ সৃষ্টি হয়। এ জন্য গ্রীষ্মে মাংসজাতীয় খাবার এড়িয়ে চলা উচিত।

ক্যাফেইন ও সফট ড্রিংকস: ক্যাফেইন শরীরে পানিশূন্যতার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। সফট ড্রিংকসে থাকা চিনি শরীরকে ক্লান্ত করে তোলে। তাই গ্রীষ্মে ক্যাফেইন ও সফট ড্রিংকস যতটা সম্ভব পান না করাই ভালো।

অতিরিক্ত মিষ্টি, কেক ও চকোলেট: এ জাতীয় প্রসেসড ফুড গরমে খাওয়ার ফলে হজমে সমস্যা হয়। আবার ওজনও বেড়ে যায়।

পরামর্শ: গ্রীষ্মে দিনে অন্তত ৩-৪ লিটার পরিমাণ পানি পান করতে হবে। ঠান্ডা নয়, তবে সামান্য গরম পানি পান করা ভালো। দুপুরে হালকা খাবার খেতে হবে। রোদে বের হলে সঙ্গে লেবু-পানি বা কিছু ফল রাখতে পারেন। কিছুক্ষণ পরপর ঠান্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে নিতে পারেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির অন্যান্য খবর