অলিভ অয়েলের রয়েছে সৌন্দর্যচর্চার হরেক গুণ। ঐতিহাসিকভাবে এটি শান্তি ও সৌহার্দ্যের প্রতীক। ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলে স্বাস্থ্যসম্মত খাদ্য হিসাবেও এর কদর আছে। এসব ছাড়াও স্বাস্থ্য পরিচর্যা, ঘর-গৃহস্থালির জিনিসপত্র পরিষ্কার করার কাজে ব্যবহৃত হয়ে থাকে অলিভ অয়েল।
১. অলিভ অয়েল বাথ: অনেক বিশ্বসুন্দরী তার নিজের সৌন্দর্যের গোপন রহস্যের পেছনে অলিভ অয়েল বাথের অবদানের কথা জানিয়েছেন। এক বালতি পানিতে ৫ টেবিল চামচ অলিভ অয়েল মিশিয়ে নিন আর গোসলের পর অনুভব করুন তুলতুলে নরম, সিল্কি ত্বকের স্পর্শ অথবা আপনি যদি গোসলের আগে অলিভ অয়েল দিয়ে শরীর ম্যাসাজ করে নেন তা হলেও সেই একই ফলাফল পাবেন।
২. নখের ভঙ্গুরতা রোধ: শখ করে নখ বড় করেছেন কিন্তু এত সাবধান থাকা সত্ত্বেও নখ ভেঙে যাচ্ছে। আর মন খারাপ করবেন না। তেলটিকে হালকা গরম করে নিন তারপর নখগুলো ডুবিয়ে রাখুন ৫-১০ মিনিট। তারপর দেখুন আপনার নখগুলো কেমন শাইন দিচ্ছে আর এভাবে নিয়মিত করতে থাকলে নখগুলো শক্তও হয়ে যাবে।
৩. আই ক্রিম: অলিভ অয়েল চোখের চারপাশের কুঁচকে থাকা ত্বককে হাইড্রেট করে আর নরম করে তোলে। রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে আপনার রিং ফিঙ্গার দিয়ে আলতো হাতে অলিভ অয়েল বুলিয়ে দিন। অতিরিক্ত তেল নরম টিস্যু পেপার দিয়ে মুছে নিতে পারেন।
৪. পা ফাটা সমস্যার সমাধান: রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে পায়ে অলিভ অয়েল ম্যাসাজ করে নিন, তারপর মোজা পরে ঘুমান। সকালে নরম তুলতুলে পায়ে পছন্দের স্যান্ডেল গলিয়ে চলে যান গন্তব্যস্থলে।
৫. ঠোঁটের যত্নে অলিভ অয়েল: নিম্নমানের কসমেটিকস বা সূর্যের ক্ষতিকর প্রভাবের কারণে আপনার নরম কোমল ঠোঁট তার কোমলতা হারিয়ে রুক্ষ হয়ে আসে, ম্লান করে উজ্জ্বলতা। তাই নিয়ম করে যদি অল্প অলিভ অয়েল ঠোঁটে বুলিয়ে নেওয়া যায় তাহলে এই সমস্যা থেকে সহজেই নিস্তার পাওয়া যাবে।
৬. মেকআপ রিমুভার: জমকালো সাজে সবাইকে মন্ত্রমুগ্ধ করেছেন। এবার সঠিক উপায়ে মেকআপ তোলার পালা। আঙুলের ডগায় অথবা কটন প্যাডে অলিভ অয়েল লাগিয়ে নিন। তারপর সার্কুলার মোশনে আস্তে আস্তে সমস্ত মেকআপ তুলে ফেলুন। তারপর ভালো মানের ক্লিনজার দিয়ে শেষ করুন আপনার মেকআপ তোলার প্রক্রিয়া। যাদের সেনসেটিভ স্কিন তারা নিরাপদে মেকআপ তোলার কাজ সেরে নিতে পারেন।