সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১১:০৪ পূর্বাহ্ন
Banner
আজকের শিরোনাম :
ক্যান্সার চিকিৎসায় আসছে ১৭ রেডিওথেরাপি মেশিন, রোবটিক সার্জারির ৫টিও এ বছর ২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে  ৬ জনের মৃত্যু একনেকে ১৬ হাজার কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন ২ কোটি শিশু হামের টিকার আওতায়, এক মাসে আরও ৩৫ লাখকে টিকা : স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলায় সারা দেশে স্বাস্থ্যসেবা জোরদার সরকারের ওজন কমাতে কেন এই পাঁচ চা খাবেন? নারীদের হার্ট অ্যাটাকের গোপন ৪ সংকেত, যা অবহেলা করলেই বিপদ নতুন গবেষণা, গর্ভাবস্থায় সংক্রমণ হলে প্রতিবন্ধী হতে পারে শিশু এলপিজির সংকট নেই, মজুতদারি করলে ব্যবস্থা : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হৃদয়ের সতর্কসংকেত উপেক্ষা করা যাবে না : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

অতিরিক্ত প্রোটিন গ্রহণে হতে পারে যে ৭ ক্ষতি

প্রতিনিধির নাম / ১৪১ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : June 4, 2025
অতিরিক্ত প্রোটিন গ্রহণে হতে পারে যে ৭ ক্ষতি

প্রোটিন আমাদের শরীরের টিস্যু গঠনে ও পুনর্গঠনে সাহায্য করে, পেশি গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় এবং ওজন নিয়ন্ত্রণেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তবে অতিরিক্ত প্রোটিন গ্রহণ শরীরের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। নিচে অতিরিক্ত প্রোটিন খাওয়ার ৭টি পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার কথা তুলে ধরা হলো।

১. কিডনির পাথর

অতিরিক্ত প্রোটিন, বিশেষ করে প্রাণিজ উৎস থেকে, কিডনির ওপর চাপ সৃষ্টি করতে পারে। এতে ইউরিনে ক্যালসিয়াম ও অক্সালেটের পরিমাণ বাড়ে, যা কিডনিতে পাথর হওয়ার ঝুঁকি বাড়ায়। তবে যাদের আগে থেকেই কিডনির সমস্যা রয়েছে, তাদের জন্য এই ঝুঁকি বেশি।

২. হাড় ক্ষয় (অস্টিওপোরোসিস)

অতিরিক্ত প্রোটিন গ্রহণে ইউরিনের মাধ্যমে ক্যালসিয়াম বের হয়ে যেতে পারে। ফলে হাড় দুর্বল হয়ে যায় এবং দীর্ঘমেয়াদে অস্টিওপোরোসিসের ঝুঁকি বাড়ে। তাই প্রোটিন গ্রহণে ভারসাম্য বজায় রাখা জরুরি।

৩. ওজন বৃদ্ধি

প্রোটিন ওজন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করলেও অতিরিক্ত গ্রহণে বিপরীত ফল হতে পারে। শরীর যতটা প্রোটিন প্রয়োজন, তার চেয়ে বেশি নিলে অতিরিক্ত প্রোটিন চর্বি হিসেবে জমা হতে পারে, বিশেষ করে নিয়মিত ব্যায়াম না করলে। এতে ধীরে ধীরে ওজন বাড়তে পারে।

৪. কোষ্ঠকাঠিন্য ও পানিশূন্যতা

প্রাণিজ প্রোটিনভিত্তিক খাদ্যে ফাইবার কম থাকে। ফাইবার না থাকলে হজমে সমস্যা, কোষ্ঠকাঠিন্য, ফাঁপা ভাব, এমনকি ডায়রিয়ার মতো সমস্যাও দেখা দিতে পারে। সেই সঙ্গে অতিরিক্ত প্রোটিন শরীর থেকে নাইট্রোজেন বের করতে বেশি পানি ব্যবহার করে, ফলে পানিশূন্যতা হতে পারে।

৫. হৃদরোগ

প্রোটিনের উৎসের ওপর নির্ভর করে তার প্রভাব। বাদাম, মাছ, ডাল জাতীয় প্রোটিন উপকারী হলেও অতিরিক্ত লাল মাংস বা প্রক্রিয়াজাত মাংস হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়াতে পারে। এসব খাদ্যে স্যাচুরেটেড ফ্যাট ও কোলেস্টেরল বেশি থাকে। তাই প্রোটিনের বৈচিত্র্য বজায় রাখা জরুরি।

৬. ক্যানসারের ঝুঁকি

গবেষণায় দেখা গেছে, বেশি লাল মাংস ও প্রক্রিয়াজাত প্রাণিজ প্রোটিন খাওয়ার ফলে কোলন, স্তন ও প্রোস্টেট ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ে। তাই মাংস একেবারে বাদ না দিয়ে পরিমাণ কমানো এবং উদ্ভিজ্জ প্রোটিন যেমন ডাল, ছোলা, বাদাম ইত্যাদি বেশি খাওয়ার পরামর্শ দেয়া হয়।

৭. মুখে দুর্গন্ধ

কার্বোহাইড্রেট কমিয়ে বেশি প্রোটিন খেলে শরীর চর্বি ভেঙে শক্তি উৎপাদন করে। এতে ‘কিটোন’ নামক যৌগ তৈরি হয়, যা মুখে দুর্গন্ধ তৈরি করতে পারে। তবে পর্যাপ্ত পানি পান ও সুষম খাবার খেলে এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির অন্যান্য খবর