সম্প্রতি ইনস্টাগ্রামে দেয়া এক পোস্টে জোয়ে জানান, নারীদের শরীরে পেটের পরিবর্তনের কারণ সবসময় একই নয়। তাই না বুঝে ক্র্যাশ ডায়েট, অতিরিক্ত অ্যাবস ওয়ার্কআউট বা ডিটক্স ড্রিংকের পেছনে ছোটা ঠিক নয়।
জো মডগিল বলেন, কখনো এটা ব্লোটিং, কখনো পোস্টার, কখনো কোষ্ঠকাঠিন্য, কখনো কোর প্রেসার, আবার কখনো ডায়াস্টাসিস। অবশ্যই কিছু ক্ষেত্রে ফ্যাটও হতে পারে। তিনি মনে করেন, শরীর আসলে কী চাইছে সেটা বোঝাটাই সবচেয়ে জরুরি। কারও প্রয়োজন হতে পারে ভালো পুষ্টি, কারও স্ট্রেন্থ ট্রেনিং, কারও হজমের যত্ন বা কোর রিহ্যাব।
যেভাবে বুঝবেন পেট ফোলা নাকি সত্যিই মেদ
নিজের ভিডিওতে জোই নারীদের জন্য একটি সহজ চেকলিস্ট শেয়ার করেছেন, যাতে বোঝা যায় পেটের আকার বাড়া আসলে ব্লোটিং নাকি মেদ জমার কারণে। তার মতে, সকালে পেট তুলনামূলক সমান থাকলেও রাতে বেশি বড় দেখালে, সেটি সম্ভবত “ব্লোটিং বা চাপের” লক্ষণ। তিনি আরও জানান, খাবার খাওয়ার পর যদি পেট শক্ত ও টানটান লাগে, তবে সেটি হজমজনিত সমস্যার ইঙ্গিত হতে পারে।
ফিটনেস ট্রেইনার জোই বলেন, ব্যায়ামের সময় যদি পেট ফুলে ওঠে বা বাইরে বেরিয়ে আসে, তাহলে সেটি কোর প্রেসারের সমস্যা নির্দেশ করতে পারে। এছাড়া সন্তান জন্মের পর নিচের পেটের অংশে যে অতিরিক্ত ভাঁজ দেখা যায়, তা সবসময় মেদ নয়। এর পেছনে ফ্যাসিয়া, ত্বক, শরীরের ভঙ্গি বা মেদের সম্মিলিত প্রভাব থাকতে পারে।
যেসব লক্ষণ অবহেলা করা যাবে না
জোই নারীদের আরও কিছু লক্ষণের দিকে নজর দিতে বলেছেন। জো বলেন, যদি পেট ফোলা ব্যথার সঙ্গে হয়, তাহলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া উচিত। তিনি জানান, কোষ্ঠকাঠিন্যের কারণেও পেট বড় দেখাতে পারে।
এছাড়া খুব দ্রুত খাবার খেলে ব্লোটিং আরও বাড়তে পারে বলেও সতর্ক করেন তিনি। একই সঙ্গে কম প্রোটিন ও বেশি কার্বোহাইড্রেটযুক্ত খাবার অতিরিক্ত ক্ষুধা ও খাবারের প্রতি আকাঙ্ক্ষা বাড়িয়ে দিতে পারে।
সবশেষে যদি পেটের মেদ মনে হয় নিশ্চিত হতে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে পারেন। নিজে থেকে সিদ্ধান্ত নেয়ার থেকে ভালো বিশেষজ্ঞের সঙ্গে আলাপ করে মূল বিষয় জেনে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া। একজন বিশেষজ্ঞ নিশ্চিত হয়ে আপনাকে পরামর্শ দেবেন মেদ বা রোগ যেটাই হোক সমাধানের জন্য।