মানসিক শক্তি কেবল মনই ভালো রাখে না, শরীরও ভালো রাখে। এমন অনেক নজির আছে যে, মানসিক শক্তির প্রভাবে কঠিন রোগ থেকেও মানুষ সুস্থ হয়ে উঠেছে। ইন্দোনেশিয়ার এক বাসিন্দা হারিয়াতি লওইজায়া বিস্তারিত....
দেশের সার্বিক পরিস্থিতি, ব্যক্তিগত জীবনের টানাপোড়েন, অফিসের নানান চাপে অনেকেই মুষড়ে পড়েছেন। তাঁরা মানসিকভাবে ভালো নেই। আবার আবহাওয়াজনিত কারণে রোগ-ব্যধি, অসুখ-বিসুখও পিছু ছাড়ছে না। পরিবেশ দূষণ যত বাড়ছে, ততই বাড়ছে
পৃথিবীতে এমন কোনও মানুষ নেই যিনি খারাপ সময় বা মন খারাপের মুখোমুখি হননি। আসলে মন খারাপের কোনও নির্দিষ্ট সমীকরণ নেই। ঘুম থেকে উঠেও কারও মন খারাপ হতে পারে। কেউ আবার
জীবনে অনেক সময় আমাদের নিজেদের আবেগ ও ইচ্ছা নিয়ন্ত্রণ করতে হয়। মানসিক চাপ, কাজের চাপ, সম্পর্কের চড়াই-উতরাই ইত্যাদি কখনো কখনো মনকে বিক্ষিপ্ত করে দেয়। নিজেকে তখন হারিয়ে ফেলি আমরা। নিজেকে
মাথার কাছে মোবাইল রেখে ঘুমানোর অভ্যাস আছে? যদি থাকে আপনার এই অভ্যাস থেকে বেরিয়ে আসার প্রস্তুতি নেওয়া উচিৎ। মোবাইল চালু থাকলে এই যন্ত্রটি থেকে যে রেডিয়েশন নিঃসৃত হয় তা সহজেই
সবসময় এবং সব জায়গায় নাগালের মধ্যে থাকা, একই সঙ্গে অনেক কাজ করা, শিফটে কাজ করা – এ সব কিছুই মানসিক চাপ বাড়ায়৷ কর্মক্ষেত্রে মানসিক সমস্যা, ক্লান্তি, উত্সাহ হারানো – এ
সাম্প্রতিক কিছু গবেষণায় দেখা যায়, অনুভূতি সহজভাবে প্রকাশের মাধ্যমে আত্ম-সচেতনতা বৃদ্ধিও সম্ভব, যা দীর্ঘমেয়াদে মানসিক সুস্বাস্থ্য নিশ্চিতেও সহায়তা করে। তবে কোনো রকমে লিখে ফেললেই তা অর্জিত হয় না; বরং এ
শরীর চর্চাকে যেমন অনেকে বিশেষ গুরুত্ব দেন, মানসিক স্বাস্থ্য ভালো রাখতেও ব্যায়ামের মত নিয়মিত কিছু অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। শরীরে অসুখ বাঁধলে যত সহজে উপসর্গ ধরা পড়ে, মনের অসুখ ততটাই