সবমিলিয়ে এক অস্থির সময় চলছে যেন চারিধারে। অতিরিক্ত রাগের বশে অনেকেই ভুল কাজ করে ফেলেন। এর ফলে পারিবারিক শান্তি নষ্ট হয়। পাশাপাশি ব্যক্তিগত জীবনেও দুর্দশা নেমে আসে। এজন্যই বলা হয়, বিস্তারিত....
মানসিক চাপ এমন একটা সমস্যা, যা থেকে চটজলদি রেহাই পাওয়া মুশকিল। যার প্রভাব পড়ে আমাদের শরীরের উপরেও। মানসিক চাপ থেকে দেখা দিতে পারে উচ্চ রক্তচাপ, অনিদ্রা, হজমের সমস্যা এমনকি স্নায়ুর
মানসিক শক্তি কেবল মনই ভালো রাখে না, শরীরও ভালো রাখে। এমন অনেক নজির আছে যে, মানসিক শক্তির প্রভাবে কঠিন রোগ থেকেও মানুষ সুস্থ হয়ে উঠেছে। ইন্দোনেশিয়ার এক বাসিন্দা হারিয়াতি লওইজায়া
হেলদি লাইফস্টাইল ও সেলফ কেয়ার নিয়ে এখন কম-বেশি সবাই বেশ কনসার্নড। আচ্ছা, এই সবকিছুর মূল উদ্দেশ্য কী, বলুন তো? আমার কাছে মনে হয়, শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ থাকা, নিজেকে বেটার
ক্রমাগত দুঃখবোধ করা এবং নিজের সম্পর্কে নেতিবাচক ধারণা মানসিক চাপ বাড়িয়ে দিতে পারে। মানসিক চাপ মোকাবিলা করতে না পারলে হার্টের ক্ষতি হতে পারে। অতিরিক্ত মানসিক চাপ কীভাবে হার্টের ওপর প্রভাব
দেশের সার্বিক পরিস্থিতি, ব্যক্তিগত জীবনের টানাপোড়েন, অফিসের নানান চাপে অনেকেই মুষড়ে পড়েছেন। তাঁরা মানসিকভাবে ভালো নেই। আবার আবহাওয়াজনিত কারণে রোগ-ব্যধি, অসুখ-বিসুখও পিছু ছাড়ছে না। পরিবেশ দূষণ যত বাড়ছে, ততই বাড়ছে
পৃথিবীতে এমন কোনও মানুষ নেই যিনি খারাপ সময় বা মন খারাপের মুখোমুখি হননি। আসলে মন খারাপের কোনও নির্দিষ্ট সমীকরণ নেই। ঘুম থেকে উঠেও কারও মন খারাপ হতে পারে। কেউ আবার
জীবনে অনেক সময় আমাদের নিজেদের আবেগ ও ইচ্ছা নিয়ন্ত্রণ করতে হয়। মানসিক চাপ, কাজের চাপ, সম্পর্কের চড়াই-উতরাই ইত্যাদি কখনো কখনো মনকে বিক্ষিপ্ত করে দেয়। নিজেকে তখন হারিয়ে ফেলি আমরা। নিজেকে