এমন কোনো একটি বিষয়ের নাম বলুন, যা আমরা প্রায় সবাই ভয় পাই। অনেকেই বুঝে গেছেন, বলছি বার্ধক্যের কথা। যদিও বার্ধক্য একটি প্রাকৃতিক প্রক্রিয়া, তবে আমরা বেশিরভাগই একে বিপরীত করার উপায় বিস্তারিত....
অনেকে শীতকালেও প্রচুর পরিমাণে ঘামতে থাকেন। এই শারীরিক সমস্যা দেখা দিলে তাকে বলে হাইপারহাইড্রোসিস। এই রোগের রয়েছে অনেক প্রকারভেদ। ফোকাল হাইপারহাইড্রোসিস- এক্ষেত্রে মূলত হাত, পায়ের পাতা, বগলের অংশ তীব্র ভাবে
শীতের আমেজে সারাদেশ জুড়ে। তীব্র গরম থেকে পরিত্রাণ পেয়েছে সবাই। এখন প্রতিদিনিই বাড়বে শীতের তীব্রতা। নিজেকে উষ্ণ রাখতে এই শীতে এবার গরম পোশাকের পাশাপাশি খাবাররে তালিকায় কিছু খাবার রাখুন, যা
শীতের এ মৌসুমে শাক-সবজির বাজারে প্রায় চোখে পড়ে পালং শাক। নানা গুণে সমৃদ্ধ এ শাকে রয়েছে প্রচুর প্রোটিন, ভিটামিন, আয়রন এবং মিনারেলস। আমরা সাধারণত পালং শাক সিদ্ধ করে, সালাদ বা
প্রতিদিন মেডিটেশন করলে আমাদের মানসিক স্বাস্থ্য ভালো থাকে। এছাড়া অমনোযোগ দূর করতে মেডিটেশন বা ধ্যান খুব ভালো কাজ করে। মেডিটেশন বা ধ্যানের আসনে শারীরিক উপকারিতাও পাওয়া যায়। মন শান্ত করার
শীতকাল ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তা বেড়ে যায়। অনেকেই শারীরিক দুর্বলতার কারণে শীতে নিজেকে শক্তিশালী করার চেষ্টা করেন এবং বিভিন্ন খাবারের ওপর নির্ভর করেন। তবে কিছুদিন
শীতকাল মানেই হাত পা ঠাণ্ডা হবেই। তবে অনেকের ক্ষেত্রে অল্প শীত পড়লেই হাত পা ঠাণ্ডা হয়ে যায়। গরম করার চেষ্টা করলেও কিছুতেই হয় না। আপনারও যদি এমন হয় তবে সাবধান
নাক দিয়ে শ্বাস নিলে বাইরের বাতাসে শরীরে তাপমাত্রা চলে আসে। মুখ দিয়ে শ্বাস নিলে যা সম্ভব নয়। কিন্তু নাক দিয়ে শ্বাস নিলে বাতাসে থাকা বড় বড় পার্টিকেল ফিল্টার হয়ে যায়,