ওজন কমানো শুধু নয়, শরীর সুস্থ রাখতেও সুষম ডায়েট জরুরি। কী খাচ্ছেন এবং কতটা খাচ্ছেন, তার ওপরেই সুস্থতা নির্ভর করে অনেকটাই। পাশিপাশি খাওয়ার সময়ও একইভাবে গুরুত্বপূর্ণ। অথচ ব্যস্ত জীবনে নিজের
অতিরিক্ত ওজন কারও কাম্য নয়। তবে বর্তমানে জীবনযাপন পদ্ধতির কারণে স্থুলতা বা অতিরিক্ত ওজন বেড়ে যাওয়ার সমস্যা বেড়েই চলেছে। বিশেষত চল্লিশোর্ধ্ব বেশিরভাগ মানুষের সঙ্গেই এ ধরনের ঘটনা ঘটে থাকে এবং
ব্যায়াম অথবা যোগব্যায়াম সম্পর্কে আমরা হামেশাই কিছু বাক্য শুনি, ‘ব্যায়াম? সে তো মোটাদের জন্য! আমি তো স্লিম। আমি কেন ব্যায়াম করবো!’ এই হচ্ছে ব্যায়াম নিয়ে আমাদের সাধারণ চিন্তা। অথচ দেখতে
বাড়তি ওজন, কোলেস্টেরল, রক্তে শর্করা ও হৃদরোগকে জব্দ করতে হাঁটার কোনো বিকল্প নেই। কিন্তু, হাঁটাহাঁটির অভ্যাসকে নিয়মমাফিক করাতেই আপত্তি অনেকের। অথচ নিয়ম মেনে প্রতিদিন হাঁটলে অনেক ক্রনিক রোগ সারতে পারে
অফিসে প্রতিদিন দীর্ঘ সময় ডেস্কে বসে কাজ করতে হয়? সারাদিন অফিসে বসে কাজ করছেন বলে শরীরে মেদ জমে যাচ্ছে? ব্যায়ামের সময় পাচ্ছেন না! জেনে নিন দীর্ঘ সময় বসে কাজ করেও
ছোলা খেলে ওজন বাড়া বা কমা নির্ভর করে আপনি কী পরিমাণ এবং কীভাবে ছোলা খাচ্ছেন তার ওপর। ছোলায় প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন, ফাইবার এবং কার্বোহাইড্রেট থাকে, যা পুষ্টিকর খাদ্য হিসাবে বিবেচিত।
আমাদের জীবনে বিশেষ গুরুত্ব রাখে আমাদের হার্ট। এই অঙ্গটি দেহের প্রতিটি প্রান্তে অক্সিজেন ও পুষ্টি সমৃদ্ধ রক্ত পৌঁছে দেয়। তবে আমাদের জীবনধারা হার্টের গভীর প্রভাব ফেলে। বর্তমানে খারাপ খাদ্যাভ্যাস ও