রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ০৮:৩৪ পূর্বাহ্ন
Banner
আজকের শিরোনাম :
ক্যান্সার চিকিৎসায় আসছে ১৭ রেডিওথেরাপি মেশিন, রোবটিক সার্জারির ৫টিও এ বছর ২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে  ৬ জনের মৃত্যু একনেকে ১৬ হাজার কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন ২ কোটি শিশু হামের টিকার আওতায়, এক মাসে আরও ৩৫ লাখকে টিকা : স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলায় সারা দেশে স্বাস্থ্যসেবা জোরদার সরকারের ওজন কমাতে কেন এই পাঁচ চা খাবেন? নারীদের হার্ট অ্যাটাকের গোপন ৪ সংকেত, যা অবহেলা করলেই বিপদ নতুন গবেষণা, গর্ভাবস্থায় সংক্রমণ হলে প্রতিবন্ধী হতে পারে শিশু এলপিজির সংকট নেই, মজুতদারি করলে ব্যবস্থা : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হৃদয়ের সতর্কসংকেত উপেক্ষা করা যাবে না : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

নবজাতকের সুস্থতার জন্য যা জানা জরুরি

প্রতিনিধির নাম / ১৯০ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : September 19, 2024
নবজাতকের সুস্থতার জন্য যা জানা জরুরি

পৃথিবীতে অনেক খাবার আছে। একেক খাবারের রয়েছে একেক খাদ্য উপাদান। এসব খাদ্য উপাদানের পুষ্টিগুণ ভিন্ন ভিন্ন ভাবে মানুষের উপকার করে থাকে। নতুন কোনো অতিথি পৃথিবীর আলোয় আসলে শুরুর দিকে তার টিকে থাকাটা কিছুটা কঠিন থাকে। মাতৃদুগ্ধ নবজাতকের প্রথম খাবার। এই মাতৃদুগ্ধ শিশুর পুষ্টির উৎস। এটি শিশুর রোগ প্রতিরোধের প্রথম টিকা হিসেবেও কাজ করে। যা পরবর্তীতে শৈশবের অনেক রোগ থেকে তাকে রক্ষা করে। তাই জন্মের প্রথম ৬ মাস শিশুকে শুধুমাত্র মায়ের দুধই খাওয়ানো উচিত।

পুষ্টিবিদ শায়লা শারমীন বলেন, ‘সন্তান জন্মদানের পর মায়ের বুকের ‘প্রথম দুধ’ শিশুর জন্য আদর্শ একটি খাবার, যাকে ‘কোলেস্ট্রাম’ বলে, যার স্থায়িত্বকাল দিন-চার দিন। ঘন হলুদাভ এই কোলেস্ট্রাম নবজাতকের পরিপাকতন্ত্রের বিকাশে সাহায্য করে এবং মায়ের দুধ হজম করার জন্য শিশুর হজম প্রক্রিয়াকে প্রস্তুত করে। এই কোলেস্ট্রাম হলো মায়ের দুধের প্রথম ধাপ, যা সময়ের পরিবর্তিত হয়ে শিশুর বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে তার প্রয়োজনীয় পুষ্টি প্রদান করে।’

ভূমিষ্ঠ হওয়ার এক ঘণ্টার মধ্যেই শিশুকে মায়ের বুকের এই দুধ খাওয়ানো প্রয়োজন। জন্মের পর থেকে ছয় মাস পর্যন্ত মায়ের দুধই শিশুর পর্যাপ্ত পুষ্টি চাহিদা মেটাতে সক্ষম। মায়ের দুধে থাকা উচ্চমাত্রার কোলেস্টেরল শিশুর মস্তিষ্ক বিকাশে সাহায্য করে। এ ছাড়া মায়ের দুধে শিশুর বদহজম বা অ্যালার্জি হওয়ার ঝুঁকি নেই।

নবজাতকের জন্য মাতৃদুগ্ধের কোনো বিকল্প নেই। মাতৃদুগ্ধে ভিটামিন, মিনারেল, প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট, পানি ও ফ্যাট আছে, যা শিশুর সঠিক বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজন। যে শিশুরা জন্মের দুই বছর পর্যন্ত মাতৃদুগ্ধ পান করে, সে শিশুরা আত্মবিশ্বাসী ও বুদ্ধিসম্পন্ন হয়।

ইব্রাহিম কার্ডিয়াক হাসপাতালের পুষ্টিবিদ আরও শায়লা শারমীন মনে করেন, মাতৃদুগ্ধ পানে শুধু যে শিশুটিই লাভবান হয়, তা কিন্তু নয়। মায়ের ও ভালো হয়। শুধু জন্মের পর থেকে দুই বছর পর্যন্ত মাতৃদুগ্ধ দানের মাধ্যমে একজন মায়ের স্তন ক্যান্সার, ওভারিয়ান ক্যান্সার, আর্থ্রাইটিস, ওভারিয়ান সিস্ট, ওস্টিওপোরোসিস, উচ্চ রক্তচাপ, কার্ডিওভাসকুলার ডিজিজ, ডায়াবেটিস প্রভৃতি রোগ হওয়ার ঝুঁকি কমে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির অন্যান্য খবর