একজন শিশু শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় ভুগছে, সেটি তার বাবা-মা কিংবা অভিভাবক যাঁরা রয়েছেন, তাঁরা আসলে কীভাবে বুঝতে পারবেন, সঞ্চালকের এ প্রশ্নের জবাবে ডা. এম এস খালেদ বলেন, শ্বাসকষ্ট শিশুদের একটা খুব কমন রোগ। জীবনের বিভিন্ন সময়ে, শিশু তার জন্মের কোনো পর্যায়ে কোনো না কোনও ভাবে শ্বাসকষ্টে ভোগে। একটা শিশুর বুকের খাঁচা খুব দ্রুত ওঠানামা করবে। তার শ্বাসের গতি বা হৃদস্পন্দনের গতি বেড়ে যাবে। অনেক সময় খুব বেশি হলে হাত নীল হয়ে যায়, ঠোঁট নীল হয়ে যায়। এগুলোর দ্বারা আমরা বুঝতে পারি যে শিশুদের শ্বাসকষ্ট হচ্ছে।
সে ক্ষেত্রে এই যে লক্ষণ বা উপসর্গের কথা বলছেন, এগুলো কি হুট করেই শুরু হয়ে থাকে, না কি একটি দীর্ঘ সময় যাওয়ার পর লক্ষণ বা উপসর্গ দৃশ্যমান হয়, সঞ্চালকের এ প্রশ্নের জবাবে ডা. এম এস খালেদ বলেন, শিশুদের শ্বাসকষ্টের অনেক কারণ আছে। কারণগুলো বয়সভেদে বিভিন্ন রকম হয়। যেমন আমরা যদি জন্মের পর থেকে একটা শিশুর শ্বাসকষ্ট, জন্মের সাথে সাথে একটা শিশুর শ্বাসকষ্ট হতে পারে; সেটা কেন হতে পারে? সেটা হতে পারে নিউনেটাল বেবির, প্রসবকালীন সময়ে যদি সে কোনও সমস্যায় ভোগে, জটিলতায় ভোগে, তাহলে শ্বাসকষ্ট হতে পারে। জন্মের পর কোনও শিশু হার্টের সমস্যার কারণে শ্বাসকষ্ট হতে পারে। জন্মের কিছুদিন পরে, যেমন দুই মাস থেকে দুই বছর বয়সি শিশুদের, যেটা বাংলাদেশে সবচেয়ে কমন, ব্রঙ্কিওলাইটিসের কারণে শ্বাসকষ্ট হতে পারে। এটা ছয় থেকে নয় মাসে বেশি হয়, দুই মাস থেকে দুই বছর বয়সে বেশি হয়।
ডা. এম এস খালেদ বলেন, বড় হলে বাচ্চাদের অ্যাজমার কারণে শ্বাসকষ্ট হতে পারে। নিউমোনিয়ার কারণে শ্বাসকষ্ট হতে পারে। আমি সব কমন কারণগুলোর কথা বলছি। আরেকটা গুরুত্বপূর্ণ কারণ আছে। সেটা হলো ফরেন বডি বা কোনো কিছু খেয়ে ফেলা; দুর্ঘটনাবশত কিছু ঢুকে যাওয়া। সুতরাং একটা বাচ্চার শ্বাসকষ্ট নিয়ে যখন কথা বলতে হবে, তখন এই জিনিসগুলো আমাদের মাথায় রাখতে হবে। শ্বাসকষ্টটা কীভাবে শুরু হয়। কোনো শ্বাসকষ্ট হুট করে শুরু হতে পারে, কোনো কোনো শ্বাসকষ্ট ধীরে ধীরে বাড়তে পারে।
শিশুর শ্বাসকষ্ট ও এ থেকে পরিত্রাণের উপায় সম্পর্কে আরও জানতে উপর্যুক্ত ভিডিওটি সম্পূর্ণ দেখুন। এ ছাড়া স্বাস্থ্য সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয়ে বিস্তারিত জানতে এনটিভি হেলথ ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন এবং জানুন বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ।







