বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:৫০ পূর্বাহ্ন
Banner
আজকের শিরোনাম :
মৌমাছি বা বোলতার হুল ফুটলে যে ভুল হতে পারে প্রাণঘাতী ইসবগুল নাকি চিয়া সিড, পেটের যত্নে কোনটি বেশি উপকারী? সর্দি-কাশি ভেবে বসে থাকবেন না, যে লক্ষণ নিউমোনিয়ার ইঙ্গিত মধ্যপ্রাচ্য সংকটের জেরে বাধ্য হয়েই জ্বালানি তেলের দাম সমন্বয় করতে হয়েছে : জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী দেশের ভবিষ্যৎ অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ খাত হতে পারে ব্লু ইকোনমি : শিক্ষামন্ত্রী সরকারের বড় সাফল্য নির্ভর করছে স্বাস্থ্য খাতের ওপর : স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডেঙ্গু সচেতনতা ক্যাম্পেইন নিয়ে কনটেন্ট তৈরির আহ্বান স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রীর হাম উপসর্গে প্রাণ গেল আরো ৬ শিশুর ‘কোন ডিসেম্বরে আসবেন, ক্লিয়ার করেন’, শেখ হাসিনাকে দুলু স্বাস্থ্যখাত ঢেলে সাজাতে প্রযুক্তি ও গবেষণায় বড় রাষ্ট্রীয় বিনিয়োগের পরিকল্পনা : স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

যে ৭ খাবার ডেকে আনে কোষ্ঠকাঠিন্য!

প্রতিনিধির নাম / ১০১ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : January 22, 2025
যে ৭ খাবার ডেকে আনে কোষ্ঠকাঠিন্য!

কোষ্ঠকাঠিন্য কতটা সমস্যায় ফেলে বা কষ্ট দেয়, সেটা হাড়ে হাড়ে টের পান ভুক্তভোগীরা। লাইফস্টাইলের পাশাপাশি ফুড হ্যাবিটের ওপরও নির্ভর করে এই শারীরিক সমস্যা। কিছু কিছু খাবার আছে যেগুলোতে মুহূর্তেই বেড়ে যায় এই বিপত্তি।

চলুন জেনে নেই এ সম্পর্কে…

১. সাদা চাল, পাস্তার মতো প্রক্রিয়াজাত দানাশস্যে ফাইবার কম। যত বেশি প্রক্রিয়াকরণ করা হবে, তত কমবে পুষ্টিমূল্য তথা ফাইবার। কোষ্ঠ সাফ করতে এমন দানাশস্য খান, যাতে প্রক্রিয়াকরণ কম। ফাইবার বেশি।

২. দুধ এবং ডেয়ারিজাত খাবার থেকেও কোষ্ঠ সংক্রান্ত সমস্যা দেখা দিতে পারে। বিশেষ করে গরুর দুধ কম রাখুন ডায়েটে। কোষ্ঠকাঠিন্য এড়াতে কম খেতে হবে দুগ্ধজাত খাবারও।

৩. পিজ্জা, চিপস-এর মতো অতিরিক্ত ভাজাভুজি বা জাঙ্কফুড খাবেন না। এই খাবারে ফ্যাট এবং নুন বেশি। ফাইবার, ভিটামিন, প্রোটিন-সহ অন্যান্য পুষ্টি পাওয়া যায় না। তাই ফাস্টফুড না খেয়ে ফল, শাকসবজি খান।

৪. পেস্ট্রি, কুকিজের মতো সাদা ময়দার খাবার খাবেন না। প্রয়োজনীয় ফাইবার এতে থাকে না। ফলে কোষ্ঠকাঠিন্যে জেরবার হতে হয়। গমের পাউরুটি, ওটমিল খান নিয়মিত। ফাইবার ইনেটেকে ভারসাম্য বজায় রাখতে হবে।

৫. রেড মিটে প্রচুর ফ্যাট। প্রোটিন ফাইবার যা আছে, সেগুলোও হজম করা কঠিন। এর আয়রনের অংশও কোষ্ঠকাঠিন্যের কারণ হতে পারে। রেড মিট খাওয়া কমিয়ে লিনিয়ার মিটস এবং উদ্ভিজ্জ প্রোটিনের উপর গুরুত্ব দিন।

৬. ক্যান্ডি, চকোলেট, মিষ্টি স্ন্যাক্সজাতীয় খাবার খেলে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা বেড়ে যায়। অস্বাস্থ্যকর ফ্যাট আছে এই খাবারগুলোতে। ফাইবার খুবই কম। শরীরে যোগ করে বাড়তি ক্যালোরি। তাই কোষ্ঠকাঠিন্যের আশঙ্কা বাড়ে।

৭. ফ্রোজেন ফুড বা হিমায়িত খাবারে ফ্যাট, নুন এবং প্রেজারভেটিভ বেশি। বেশি পরিমাণে খেলে হজমের সমস্যা হবে। দেখা দেবে কোষ্ঠকাঠিন্য।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির অন্যান্য খবর