বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:৪৭ পূর্বাহ্ন
Banner
আজকের শিরোনাম :
মৌমাছি বা বোলতার হুল ফুটলে যে ভুল হতে পারে প্রাণঘাতী ইসবগুল নাকি চিয়া সিড, পেটের যত্নে কোনটি বেশি উপকারী? সর্দি-কাশি ভেবে বসে থাকবেন না, যে লক্ষণ নিউমোনিয়ার ইঙ্গিত মধ্যপ্রাচ্য সংকটের জেরে বাধ্য হয়েই জ্বালানি তেলের দাম সমন্বয় করতে হয়েছে : জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী দেশের ভবিষ্যৎ অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ খাত হতে পারে ব্লু ইকোনমি : শিক্ষামন্ত্রী সরকারের বড় সাফল্য নির্ভর করছে স্বাস্থ্য খাতের ওপর : স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডেঙ্গু সচেতনতা ক্যাম্পেইন নিয়ে কনটেন্ট তৈরির আহ্বান স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রীর হাম উপসর্গে প্রাণ গেল আরো ৬ শিশুর ‘কোন ডিসেম্বরে আসবেন, ক্লিয়ার করেন’, শেখ হাসিনাকে দুলু স্বাস্থ্যখাত ঢেলে সাজাতে প্রযুক্তি ও গবেষণায় বড় রাষ্ট্রীয় বিনিয়োগের পরিকল্পনা : স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

শীতে সোয়েটার পরে ঘুমালে হতে পারে যে ক্ষতি

প্রতিনিধির নাম / ১০৩ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : January 26, 2025
শীতে সোয়েটার পরে ঘুমালে হতে পারে যে ক্ষতি

শীতের হাত থেকে বাঁচতে গিয়ে অনেকেই রাতে উলের পোশাক পরে ঘুমান। কিন্তু এই ছোট অসাবধানতা স্বাস্থ্যের ওপর একটি বড় বোঝা চাপিয়ে দিতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, শীতে আমাদের রক্তবাহ সংকুচিত হয়ে যায়। গরম কাপড় পরে ঘুমালে তা শরীরকে উষ্ণ করে তোলে, যার ফলে রক্তচাপ কমে যেতে পারে।

যা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। শীতের রাতে সোয়েটার বা মোজা পরে ঘুমালে যে সমস্যা হতে পারে, তা নিয়েই আজকের প্রতিবেদন। চলুন, জেনে নেওয়া যাক।

শীতে সোয়েটার পরে ঘুমালে যে ক্ষতি

সোয়েটার পরে ঘুমালে ঠাণ্ডা না লাগলেও শরীরের রক্ত চলাচল ব্যাহত হয়।

ঘুমানোর সময় গরম উলের পোশাক পরলে শরীরে ঠিকমতো রক্ত প্রবাহিত হতে পারে না। এতে রক্ত জমাট বাঁধাসহ বিভিন্ন সমস্যা হতে পারে। এ ছাড়া অস্থিরতা, নার্ভাসনেস ও নিম্ন রক্তচাপের সমস্যাও বাড়তে পারে। শীতের পোশাক পরে ঘুমালে শরীরের স্বাভাবিক তাপমাত্রা ব্যাহত হয়।

শরীরের তাপমাত্রা অতিরিক্ত বেড়ে গিয়েও নানা সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে। উলের জামাকাপড়ে ফাইবার সাধারণত তুলার তন্তুর চেয়ে বেশি পুরু হয়। শীতকালে এমনিতেই মানুষ চাদর বা লেপ-কম্বল গায়ে দিয়ে ঘুমায় এবং এর মধ্যে অনেকে আবার সোয়েটার পরলে এই তন্তু শরীরের তাপকে ভেতরে আটকে রাখে। কিছু ক্ষেত্রে লেপ ও শরীর দ্বারা উৎপন্ন তাপ ডায়াবেটিস ও হৃদরোগীদের জন্য বিপদের কারণ হতে পারে। উল থেকে অ্যালার্জি হওয়ার পেছনে অনেক কারণ রয়েছে।

উল হলো প্রাকৃতিক তন্তু। আবার উল থেকে তেল নিষ্কাশন ও পরিষ্কার করার জন্য রাসায়নিক এবং রং করতে ডাই ব্যবহার করা হয়। রাসায়নিক ও ডাইয়ের মিশ্রণ ত্বকের সংস্পর্শে এলে অস্বস্তি হতে পারে। এর ফলে চুলকানি, ফুলে যাওয়া, চোখ লাল হয়ে যাওয়া, ফুসকুড়ি ও বাত হতে পারে।
রাতে মোজা পরে ঘুমাবেন না। তাতে শরীরের উষ্ণতার ভারসাম্য নষ্ট হতে পারে। দীর্ঘক্ষণ টাইট মোজা পরলে পায়ের রক্তচলাচল স্বাভাবিক হয় না। এর ফলে পায়ে জ্বালা হতে পারে। এ ছাড়া বেশির ভাগ মোজা নাইলন বা অন্যান্য উপাদান দিয়ে তৈরি হয়, যা ত্বকের জন্য সমস্যা তৈরি করতে পারে।

সর্দি, কাশি যেন না হয় সে জন্য রাতে অনেকেই ঘুমের সময় শিশুদের উলের পোশাক পরিয়ে দেন। কিন্তু শিশুদের ঘুমের সময় উলের পোশাক পরানো যাবে না। কারণ এতে ঘেমে গিয়ে তার ঠাণ্ডা লাগতে পারে। ঘুমের সময় শরীরের মেটাবলিজম রেট কম থাকে। তাই খুব ঢাকাচাপা অবস্থায় হজমের সমস্যা ঘটতে পারে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির অন্যান্য খবর