রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ০৭:২৬ পূর্বাহ্ন
Banner
আজকের শিরোনাম :
ক্যান্সার চিকিৎসায় আসছে ১৭ রেডিওথেরাপি মেশিন, রোবটিক সার্জারির ৫টিও এ বছর ২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে  ৬ জনের মৃত্যু একনেকে ১৬ হাজার কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন ২ কোটি শিশু হামের টিকার আওতায়, এক মাসে আরও ৩৫ লাখকে টিকা : স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলায় সারা দেশে স্বাস্থ্যসেবা জোরদার সরকারের ওজন কমাতে কেন এই পাঁচ চা খাবেন? নারীদের হার্ট অ্যাটাকের গোপন ৪ সংকেত, যা অবহেলা করলেই বিপদ নতুন গবেষণা, গর্ভাবস্থায় সংক্রমণ হলে প্রতিবন্ধী হতে পারে শিশু এলপিজির সংকট নেই, মজুতদারি করলে ব্যবস্থা : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হৃদয়ের সতর্কসংকেত উপেক্ষা করা যাবে না : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

কোন বয়সী শিশুর কতটা পানি পান করা জরুরি

প্রতিনিধির নাম / ১২৪ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : March 9, 2025
কোন বয়সী শিশুর কতটা পানি পান করা জরুরি

নিয়মিত পানি পান করা সবার জন্যই জরুরি। পর্যাপ্ত পানি পান না করলে শরীরে জটিলতা দেখা যায়। বিশেষজ্ঞরা নিয়মিত পানি পানের পরামর্শ দেন। তবে বয়স অনুযায়ী পানি পানের মাত্রা রয়েছে। এমনকি শিশুদেরও বয়স অনুযায়ী পানি পান করাতে হবে। অর্থাত্ যে বয়সের শিশুদের জন্য যতটুকু পানি পান করা প্রয়োজন ততটুকুই পানি পান করতে হবে। এর বেশি বা কম হলেই শরীরে নানা জটিলতা দেখা যাবে।

শিশুদের শারীরিক পরিস্থিতি নিয়ে সব অভিভাবকই চিন্তায় থাকেন। বিশেষ করে তাদের খাদ্যাভাস নিয়ে সবসময়ই সচেতন থাকতে হয়। তাই একেবারে সদ্যজাত শিশু থেকে বছর পাঁচের বা তার বেশি শিশুদের বয়স অনুযায়ী প্রতিদিন কতটা পানি পান করা উচিত তাও জানা জরুরি।

বিশেষজ্ঞরা শিশুদের হাইড্রেটেড রাখতে বয়স অনুযায়ী কতটা পানি পান করা উচিত এর তালিকা প্রকাশ করেছেন। তারা জানান, প্রাপ্তবয়স্কদের শরীরে ৬০% পানি থাকে এবং ছোট বাচ্চাদের শরীরে পানির পরিমাণ ৭৮% পর্যন্ত থাকতে পারে। সারাদিন প্রস্রাব, ঘাম এবং শ্বাস-প্রশ্বাসের মাধ্যমে শরীরে পানির পরিমাণ কমতে থাকে। তাই সঠিক নিয়ম মেনে পর্যাপ্ত পানি পান করা উচিত। নয়তো গরম বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শরীরে পানির পরিমাণ কমতে থাকবে। ডিহাইড্রেশন হবে। যার কারণে মাথাব্যথা, মাথা ঘোরা, অজ্ঞান হয়ে যাওয়া, ক্লান্তি, কোষ্ঠকাঠিন্য, মূত্রনালীর সংক্রমণ এবং পেশীতে টানসহ নানা রকম স্বাস্থ্য জটিলতা দেখা দিবে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ৬ মাসের কম শিশুদের মাতৃদুগ্ধ ও ফর্মুলা পান করা উচিত। এর মাধ্যমেই তাদের শরীরের পুষ্টি ও আর্দ্রতা রক্ষা হয়। তবে বাচ্চার বয়স ৬ মাস পার হলেই মাতৃদুগ্ধ ও ফর্মুলা দুধের পাশাপাশি প্রতিদিন ৪ থেকে ৮ আউন্স পানি খাওয়ানো যেতে পারে। বাচ্চা ১ বছর থেকে ৩ বছরের মধ্যে হলে তাকে প্রতিদিন চার গ্লাস পানি পান করতে হবে। ডায়েটে দুধ ও ফলের রসযুক্ত থাকলে পানি পানের পরিমাণ কমাতে হবে।

যেসব শিশুদের বয়স ৫ থেকে ৮ বছর তারা দিনে কমপক্ষে পাঁচ গ্লাস পানি পান করবে। ৯ থেকে ১২ বছর বয়সী শিশুরা দিনে কমপক্ষে ৭ গ্লাস পানি পান করবে। আর ১৪ থেকে ১৮ বয়সীরা দিনে কমপক্ষে ৩ লিটার পানি পান করা জরুরি। এই নিয়ম মেনে পানি পান করলে শরীরের জটিলতা থেকে রেহাই পাওয়া যাবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির অন্যান্য খবর