সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:০১ পূর্বাহ্ন
Banner
আজকের শিরোনাম :
ক্যান্সার চিকিৎসায় আসছে ১৭ রেডিওথেরাপি মেশিন, রোবটিক সার্জারির ৫টিও এ বছর ২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে  ৬ জনের মৃত্যু একনেকে ১৬ হাজার কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন ২ কোটি শিশু হামের টিকার আওতায়, এক মাসে আরও ৩৫ লাখকে টিকা : স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলায় সারা দেশে স্বাস্থ্যসেবা জোরদার সরকারের ওজন কমাতে কেন এই পাঁচ চা খাবেন? নারীদের হার্ট অ্যাটাকের গোপন ৪ সংকেত, যা অবহেলা করলেই বিপদ নতুন গবেষণা, গর্ভাবস্থায় সংক্রমণ হলে প্রতিবন্ধী হতে পারে শিশু এলপিজির সংকট নেই, মজুতদারি করলে ব্যবস্থা : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হৃদয়ের সতর্কসংকেত উপেক্ষা করা যাবে না : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

স্তন্যদানকারী মায়েরা সুস্থতার জন্য কী করবেন, কী করবেন না

প্রতিনিধির নাম / ১০৯ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : May 12, 2025
স্তন্যদানকারী মায়েরা সুস্থতার জন্য কী করবেন, কী করবেন না

সন্তান জন্মদানের পর থেকে একজন মা রাতের পর রাত জাগতে থাকেন, শিশুকে বুকের দুধ পান করান। এই সময় মায়ের শরীরের জন্য প্রচুর এনার্জি এবং পর্যাপ্ত ক্যালোরি প্রয়োজন। সুস্থতার জন্য বালেন্স ডায়েট চার্ট ফলো করার জরুরি। অনেক পরিবার শিশুর প্রতি অধিক মনোযোগ দিলে মায়ের প্রতি তেমন যত্ন নেন না। এতে মায়ের শরীরে নানা রকম অসংগতি দেখা দিতে থাকে। মায়ের শারীরিক অবস্থা খারাপ থাকলে পর্যাপ্ত দুধ উৎপাদন হয় না।

ডা. আহমেদ নাজমুল আনাম, এফসিপিএস, এডি, অ্যাসিসট্যান্ট প্রোফেসর, আইসিএমএইচ একটি পডকাস্টে বলেন, ‘‘বুকের দুধ উৎপাদনের মূল উপাদান হলো পানি। এজন্য একজন মাকে পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করতে হবে। প্রতিদিন আট থেকে দশ গ্লাস পানি পান করার পাশাপাশি পর্যাপ্ত পরিমাণ লিকুইড খাবার খেতে হবে। শিশুকে বুকের দুধ পান করানোর আগে মা যদি এক গ্লাস পানি পান করে নেন, তাহলে দুধের প্রবাহ বাড়বে। মায়ের শরীরে যদি আয়রন এবং ক্যালসিয়ামের কোনো ঘাটতি থাকে তাহলে সেগুলো পূরণের জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ এবং খাবার গ্রহণ করতে হবে।’’

‘‘দুধ, ডিম, বেদেনা, কলা, আপেল, খেজুর, কিসমিসসহ যেসব খাবাবে পর্যাপ্ত আয়রন থাকে সেগুলো মায়ের ডায়েটে রাখুন। দই, পনিরে প্রচুর ক্যালসিয়াম থাকে এগুলোও খেতে পারেন। ’’— যোগ করেন ডা. আহমেদ নাজমুল আনাম

যা করা যাবে না—

এই সময়  অতিরিক্ত তেলে ভাজা ও মসলাযুক্ত খাবার  এড়িয়ে যাওয়া ভালো।  নতুন মায়েরা  চা-কফি পান থেকে বিরত থাকতে পারেন অথবা সীমিত পরিমাণে পান করতে পারেন। তামাক পরিহার করতে হবে। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোনো ধরনের সাপ্লিমেন্ট ও ওষুধ সেবন করা যাবে না। খাদ্যবাহিত রোগের সংক্রমণ এড়াতে পরিষ্কার–পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা জরুরি। সুস্থতার জন্যস্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির অন্যান্য খবর