সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:২১ অপরাহ্ন
Banner
আজকের শিরোনাম :
মৌমাছি বা বোলতার হুল ফুটলে যে ভুল হতে পারে প্রাণঘাতী ইসবগুল নাকি চিয়া সিড, পেটের যত্নে কোনটি বেশি উপকারী? সর্দি-কাশি ভেবে বসে থাকবেন না, যে লক্ষণ নিউমোনিয়ার ইঙ্গিত মধ্যপ্রাচ্য সংকটের জেরে বাধ্য হয়েই জ্বালানি তেলের দাম সমন্বয় করতে হয়েছে : জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী দেশের ভবিষ্যৎ অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ খাত হতে পারে ব্লু ইকোনমি : শিক্ষামন্ত্রী সরকারের বড় সাফল্য নির্ভর করছে স্বাস্থ্য খাতের ওপর : স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডেঙ্গু সচেতনতা ক্যাম্পেইন নিয়ে কনটেন্ট তৈরির আহ্বান স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রীর হাম উপসর্গে প্রাণ গেল আরো ৬ শিশুর ‘কোন ডিসেম্বরে আসবেন, ক্লিয়ার করেন’, শেখ হাসিনাকে দুলু স্বাস্থ্যখাত ঢেলে সাজাতে প্রযুক্তি ও গবেষণায় বড় রাষ্ট্রীয় বিনিয়োগের পরিকল্পনা : স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

স্ক্যাবিস কী? এই রোগ থেকে মুক্তির উপায়

প্রতিনিধির নাম / ৮৯ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : May 20, 2025
স্ক্যাবিস কী? এই রোগ থেকে মুক্তির উপায়

বাংলাদেশের কয়েকটি অঞ্চলে চর্মরোগ স্ক্যাবিস ছড়িয়েছে। এটি একটি ছোঁয়াচে রোগ। পরিবারের একজনের হলে বাকিরাও আক্রান্ত হন। স্ক্যাবিস একটি পরজীবীঘটিত চর্মরোগ যা সরাসরি সংস্পর্শের মাধ্যমে ছড়ায়। সঠিক সচেতনতা ও চিকিৎসার মাধ্যমে এই রোগ থেকে সম্পূর্ণ মুক্তি সম্ভব।

স্ক্যাবিস কী?

স্ক্যাবিস একটি চর্মরোগ যা Sarcoptes scabiei নামক ক্ষুদ্র জীবাণু (পরজীবী) দ্বারা হয়। এটি ত্বকের নিচে সুড়ঙ্গ তৈরি করে বসবাস করে এবং তীব্র চুলকানি সৃষ্টি করে।

লক্ষণসমূহ:

রাতের বেলা অতিরিক্ত চুলকানি

ত্বকে লালচে দানা বা ফোঁড়া

কখনো কখনো গায়ে ঘা বা ইনফেকশন

সংক্রমণের কারণ ও বিস্তার:

আক্রান্ত ব্যক্তির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ শারীরিক সংস্পর্শ

আক্রান্ত ব্যক্তির পোশাক, বিছানার চাদর বা তোয়ালে ব্যবহার

একসঙ্গে ঘুমানো বা এক ঘরে থাকা

স্ক্যাবিস থেকে মুক্তির উপায়:

১. চিকিৎসকের পরামর্শমতো ওষুধ ব্যবহার:

স্ক্যাবিসের নির্দিষ্ট চিকিৎসায় ‘পারমেথ্রিন’ মলম বা লোশন কার্যকর। এটি গোটা শরীরে রাতে মেখে সকালে ধুয়ে ফেলতে হয়।

২. সব সদস্যের একসঙ্গে চিকিৎসা:

একজন আক্রান্ত হলে পরিবারের সব সদস্যকে একসঙ্গে চিকিৎসা নিতে হবে, এমনকি যাদের কোনো উপসর্গ নেই, তাদেরও।

৩. ব্যক্তিগত জিনিসপত্র পরিষ্কার করা:

আক্রান্ত ব্যক্তির ব্যবহৃত কাপড়, বিছানার চাদর, তোয়ালে ইত্যাদি গরম পানি দিয়ে ধুয়ে রোদে শুকাতে হবে এবং ৭ দিন ব্যবহার না করাই ভালো।

৪. নখ ছোট রাখা ও পরিষ্কার রাখা:

চুলকানোর সময় জীবাণু নখের নিচে জমে গিয়ে পুনরায় সংক্রমণ ঘটাতে পারে। তাই নখ ছোট ও পরিষ্কার রাখা জরুরি।

৫. পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা:

নিজের শরীর ও পোশাক নিয়মিত পরিষ্কার রাখা স্ক্যাবিস প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ।

সতর্কতা:

ওষুধ ব্যবহারে শিশু, গর্ভবতী বা এলার্জিপ্রবণ রোগীদের ক্ষেত্রে বিশেষ সতর্কতা প্রয়োজন।

ওষুধ ব্যবহারের পরও যদি ১-২ সপ্তাহের মধ্যে উপসর্গ না কমে, তবে পুনরায় চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

স্ক্যাবিস একটি নিরাময়যোগ্য রোগ হলেও সচেতনতার অভাবে এটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং ভোগান্তির কারণ হয়। তাই এই রোগ সম্পর্কে সচেতন হওয়া, সঠিক চিকিৎসা গ্রহণ করা এবং পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা— এই তিনটি বিষয়েই স্ক্যাবিস থেকে মুক্তির চাবিকাঠি লুকিয়ে আছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির অন্যান্য খবর