মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৬:৩০ অপরাহ্ন
Banner
/ সোনামণি
শিশুরা যে কোনো রোগে খুব দ্রুত আক্রান্ত হয়ে পড়ে। আক্রান্ত হতে পারে চোখের অসুখেও। তবে এ রোগগুলো খুব সহজেই সেরে যায়। শিশুর চোখে কোনো সমস্যা দেখা দিলে প্রথম ৬ মাসে নিয়মিত বিস্তারিত....
শিশুদের সুস্থতা এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য তাদের ঘুমানোর সময় বিশেষ যত্ন নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। একাধিক স্বাস্থ্য গবেষণা এবং বিশেষজ্ঞদের মত অনুযায়ী, শিশুকে কখনোই উপুড় হয়ে ঘুমোতে দেওয়া উচিত নয়,
বছর ঘুরে আমাদের দ্বারে আবার এসেছে মাহে রমজান। প্রত্যেক মুসলমানের জন্য রোজা আসে বিশেষ আশীর্বাদ হয়ে। একমাস যথাযথভাবে, ধর্মীয় অনুসঙ্গ মেনে সিয়াম সাধনার ফজিলত অনেক। এতে শরীরেরও অনেক উপকার হয়। যা-ই হোক, শরীর
নিয়মিত পানি পান করা সবার জন্যই জরুরি। পর্যাপ্ত পানি পান না করলে শরীরে জটিলতা দেখা যায়। বিশেষজ্ঞরা নিয়মিত পানি পানের পরামর্শ দেন। তবে বয়স অনুযায়ী পানি পানের মাত্রা রয়েছে। এমনকি
শিশুর দুধদাঁতের কুঁড়ি ওঠা শুরু হয় মায়ের গর্ভে থাকতেই, যখন গর্ভকালীন বয়স মাত্র ৬ সপ্তাহ। তারপর জন্মের পর সাধারণত ৪–১৫ মাস বয়সের মধ্যে শিশুর দাঁত উঠতে শুরু করে। বেশির ভাগ
অনেক পরিবারেই কমবেশি সব সদস্যের চোখের সমস্যা রয়েছে। এ থেকে আন্দাজ করা যায় সমস্যাটি জিনগত। এমন হলে বাড়ির সবচেয়ে ছোট সদস্যরও চোখের সমস্যা হওয়ার আশঙ্কা থাকে। তার উপর আবার এখন
অনেক শিশুই মুখে খাবার দেওয়ামাত্র বের করে দেয় বা উগরে দেয়। চিকিৎসাশাস্ত্রে একে ‘রুমিনেশন ডিজঅর্ডার’ বলা হয়। সচরাচর শিশুর ৩ থেকে ১২ মাস বয়সের মধ্যে এ জটিল রোগ প্রকাশ পায়।
শিশুর শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বড়দের তুলনায় কম থাকে, তাই তারা সহজেই সর্দি-কাশিতে আক্রান্ত হয়। বিশেষ করে ঋতু পরিবর্তন, ধুলাবালি, ভাইরাস ও ঠান্ডা আবহাওয়া শিশুর শ্বাসতন্ত্রে সংক্রমণ ঘটায়, ফলে সর্দি-কাশি লেগেই