কলার প্রকৃতি ও শিশুর শরীরের প্রভাব
কলা সরাসরি ঠান্ডা বা সর্দি-কাশি সৃষ্টি করে না কারণ –
কখন শিশুকে কলা খাওয়ানো এড়িয়ে চলা ভালো?
শিশুকে কখন কলা খাওয়ানো যাবে?
• দিনের বেলায় বা সকালের নাস্তায় খাওয়ানো ভালো।
• গরম দুধ বা গরম খাবারের সাথে দিলে ঠান্ডা অনুভূতি কম হবে।
• কলা গরমকালে শরীর ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করে।
কোন বয়সের শিশুকে কখন কলা খাওয়ানো উচিত?
• ৬ মাসের পর থেকে কলা খাওয়ানো যায় (ম্যাশ করে বা পেস্ট বানিয়ে)।
• ১ বছরের পর ছোট ছোট টুকরো করে খাওয়ানো নিরাপদ।
• স্কুলগামী শিশুর জন্য পারফেক্ট স্ন্যাকস।
কলার পুষ্টিগুণ ও উপাদানের তালিকা (প্রতি ১০০ গ্রাম কলায়)
পুষ্টি উপাদান- পরিমাণ- উপকারিতা
♦ শক্তি (ক্যালরি): ৮৯ ক্যালোরি— দ্রুত শক্তি সরবরাহ করে
♦ প্রোটিন: ১.১ গ্রাম— পেশি গঠনে সাহায্য করে
♦ চর্বি (Fat): ০.৩ গ্রাম— খুবই কম, তাই ওজন নিয়ন্ত্রণে উপকারী
♦ কার্বোহাইড্রেট: ২২.৮— গ্রাম তাৎক্ষণিক শক্তির ভালো উৎস
♦ ফাইবার: ২.৬ গ্রাম— হজমে সহায়ক, কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধ করে
♦ চিনি (Natural Sugar): ১২.২ গ্রাম— প্রাকৃতিক মিষ্টতা, রিফাইন্ড সুগারের বিকল্প
♦ ভিটামিন সি: ৮.৭ মি.গ্রা— রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়
♦ ভিটামিন বি৬: ০.৪ মি.গ্রা— মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়ায়, হিমোগ্লোবিন তৈরিতে সাহায্য করে
♦ ফোলেট (Vitamin B9): ২০ মাইক্রোগ্রাম— কোষ বিভাজনে সহায়ক, গর্ভবতী নারীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ
♦ পটাশিয়াম (K): ৩৫৮ মি.গ্রা— রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে, হৃদযন্ত্রের জন্য উপকারী
♦ ক্যালসিয়াম (Ca): ৫ মি.গ্রা— হাড় ও দাঁতের গঠনে সহায়ক
♦ ম্যাগনেসিয়াম (Mg): ২৭ মি.গ্রা— পেশি ও স্নায়ুতন্ত্রের কার্যক্রম সঠিক রাখতে সাহায্য করে
♦ ফসফরাস (P): ২২ মি.গ্রা— হাড় ও দাঁতের জন্য প্রয়োজনীয়
♦ আয়রন (Fe): ০.৩ মি.গ্রা— রক্তে হিমোগ্লোবিন তৈরিতে সহায়ক
♦ জিংক (Zn): ০.১৫ মি.গ্রা— রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়
♦ সোডিয়াম (Na): ১ মি.গ্রা— শরীরের ইলেক্ট্রোলাইট ব্যালেন্স বজায় রাখে