খোসপাঁচড়ার লক্ষণ : পাঁচড়ার অন্যতম প্রধান লক্ষণ হচ্ছে প্রচুর চুলকানি এবং ত্বকের ওপরে ফোসকা পড়া বা লাল হয়ে ফুলে যাওয়া। সাধারণত আঙুলের ফাঁকে এবং ত্বকের ভাঁজের মধ্যে বেশি হয়।
লক্ষণের সময় : যদি কারও একবার পাঁচড়া হয়, তা হলে পুনরায় এটি হলে লক্ষণ কয়েক দিনের মধ্যেই প্রকাশ পায়। যাদের আগে কখনো হয়নি, তাদের ক্ষেত্রে লক্ষণ প্রকাশে কয়েক সপ্তাহ সময় লাগে।
ছোঁয়াচে রোগ : রোগটি ভীষণ ছোঁয়াচে ও সহজে সারতে চায় না। তাই সতর্কতা ও চিকিৎসা প্রয়োজন।
যেভাবে ছড়ায় : এটি একটি ছোঁয়াচে রোগ। সাধারণত একই বিছানায় শোয়া বা ঘনিষ্ঠ সাহচর্যে থাকলে এটি হতে পারে। একই কাপড় বা তোয়ালে ব্যবহার করলে, রোগটি ছড়িয়ে পড়ে। একই পরিবারে, স্কুলে, হোস্টেলে রোগটির প্রাদুর্ভাব অনেকের মধ্যে একসঙ্গে দেখা দেয়।
যেভাবে প্রতিরোধ করতে হবে : আক্রান্ত শিশুকে বাকিদের থেকে আলাদা রাখতে হবে। আক্রান্ত শিশুর ব্যবহারের সব কাপড় ধুয়ে দিতে হবে। যেসব জিনিস ধোঁয়া যায় না, যেমনÑ লেপ, তোষক ইত্যাদি। সেগুলো কড়া রোদে দিতে হবে। যাদের খোচপাঁচড়া আছে, তাদের থেকে শিশুকে দূরে রাখতে হবে। ডাক্তারের পরামর্শে চিকিৎসা চালাতে হবে।
চিকিৎসা না করালে যা হতে পারে : স্ক্যাবিসের আক্রমণে তীব্র চুলকানি হয় আর এর ফলে ত্বকে চুলকানি ও ক্ষতি হয়। যদি চিকিৎসা না করা হয়, তা হলে এই আক্রমণ বছরের পর বছর চলতে থাকবে এবং অন্যদের আক্রান্ত করবে। মহামারীর মতো ছড়াতেও পারে।
চিকিৎসা : বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে সঠিক ডোজে পার্মেথ্রিন, মনোসালফিরাম শরীরে ব্যবহার করা যেতে পারে।