খুশকি সাধারণত শুষ্ক আবহাওয়া ও মাত্রাতিরিক্ত দূষণের কারণে হয়। এ সমস্যার ফলে চুল পড়া, রুক্ষ চুল ও মাথার ত্বকে বিভিন্ন ধরনের সংক্রমণ হয়। খুশকি তাড়াতে দামি দামি অ্যান্টি-ড্যানড্রাফ শ্যাম্পু মেখে-মেখে
শীতকালে দ্রুত উষ্ণতা খুঁজে পায় অনেকের শরীরই। তবে এর ভিন্নতাও রয়েছে। অনেক মানুষই আছেন যাদের পা সহজে গরম হয় না। এতে শীতের রাতে ভীষণ কষ্ট পোহাতে হয় তাদের। রাত পেরিয়ে
পায়ের পাতায় ঘর্মগ্রন্থি বেশি থাকে। যার কারণে পা ঘামার একটা প্রবণতা রয়েছে সবসময়। আবার শীতে ধূলাবালি ও ঠান্ডার হাত থেকে বাঁচার জন্য যেহেতু জুতা, মোজা বেশি পড়া হয় তাই অনেক
শীতে বায়ু দূষণ বেড়েছে। বাতাসে ধুলাবালুর প্রকোপ অনেক বেশি। এ সময় ত্বকে ধুলাবালু ঢুকে প্রথমে সাদা শাল বা হোয়াইটহেডসে পরিণত হয়। এগুলো ক্রমে ব্ল্যাকহেডসে রূপান্তরিত হয়। যদি শুরু থেকেই সাদা
বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আমাদের ত্বকে কিছু পরিবর্তন আসতে শুরু করে। বার্ধক্যের দাগ, বলিরেখা, মুখের সুক্ষ্ম রেখা ইত্যাদি চেহারায় দেখা যায়। মূলত বার্ধক্যের কারণে হলেও অনেক সময় পরিবেশ ও জীবনযাপনের
চুলের রুক্ষতা দূর করার অন্যতম একটি মাধ্যম কন্ডিশনার। কেননা চুল এমনিই বেশ রুক্ষ। শ্যাম্পু করার পর আঁচড়ে তা এক জায়গায় রাখাও বেশ কঠিন। চুল শুকাতে না শুকাতেই আবার জট লেগে