শীত রাজত্ব চালাচ্ছে প্রকৃতিতে। আর এসময় মানুষ এমন খাবার খেতে চায় যা শরীরে উষ্ণতা সৃষ্টি করবে। অনেকে শীতে উষ্ণ দুধের সঙ্গে খেজুর মিশিয়ে খান। এতে কি উপকার মেলে? নাকি ক্ষতি বিস্তারিত....
শীতে বাতাসে ব্যাক্টেরিয়া-ভাইরাস বেড়ে যায়। ফলে সংক্রামক রোগ খুব দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। মৌসুম বদলের এই সময়ে জ্বর, সর্দিকাশি লেগেই থাকবে। যাদের হাঁপানি আছে, তাদের কষ্ট আরো বেশি। ঠান্ডা লাগলেই শ্বাসের
শীতকাল আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য বিশেষভাবে চ্যালেঞ্জিং সময়। ঠান্ডা আবহাওয়া, শুষ্ক বাতাস এবং রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতার হ্রাস—এগুলো শীতকালের সাধারণ সমস্যাগুলোর মধ্যে অন্যতম। এসময়ে প্রাকৃতিক প্রতিষেধক হিসেবে মধু ও রসুনের সংমিশ্রণ একটি কার্যকরী
বর্তমান জীবনযাত্রার ফলে আমাদের স্বাস্থ্যের সঙ্গে ত্বকেরও নানা সমস্যা দেখা যায়। তবে এসবের মধ্যেই সৌন্দর্য্য বাড়িয়ে তোলা একটি বড় চ্যালেঞ্জ। চোখ মুখের সবচেয়ে সুন্দর একটি অংশ। চোখের পাপড়ি এবং ভ্রু
ত্বকের মরা কোষ, ব্ল্যাক হেডস, অতিরিক্ত তেল পরিষ্কার করতে সাহায্য নেওয়া হয় গরম ভাপের। ফেসিয়াল করতে গেলেও ক্রিম মাসাজের পর ব্ল্যাক হেডস বের করতে মুখে বাষ্প দেওয়া হয়। পরিচর্যা শেষে
শীত এলেই অবনতি হয় ঢাকার বায়ুমানের। স্বাস্থ্য সংশ্লিষ্টরা পরামর্শ দেন মাস্ক পরে বাইরে বের হতে। ঢাকার বাতাসে থাকে অতিক্ষুদ্র ধূলিকণা। ইটভাটা, যানবাহনের ধোঁয়া ও নির্মাণ সাইটের ধুলোর কারণেই মূলত দূষিত
মানুষের মনে কখন যে কোন প্রশ্ন উঁকি দেয় তা বোঝা দায়। এই ধরুন শীতের সন্ধ্যায় গায়ে হিমেল বাতাস লাগছে। কিছুটা কাঁপুনি সৃষ্টি হচ্ছে শরীরে। এমন সময় আপনার মনে প্রশ্ন জাগল,
প্রতিদিন বাদাম খাওয়ার অসংখ্য স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে। তবে অন্যান্য মৌসুমে না খেলেও শীতকালে অবশ্যই খেতে হবে এই তিন বাদাম। কারণ আমন্ড, আখরোট ও কাজুবাদামে আছে ব্যাপক পুষ্টিগুণ। এ ছাড়াও শীতকালে