রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ০৮:৩৭ পূর্বাহ্ন
Banner
আজকের শিরোনাম :
ক্যান্সার চিকিৎসায় আসছে ১৭ রেডিওথেরাপি মেশিন, রোবটিক সার্জারির ৫টিও এ বছর ২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে  ৬ জনের মৃত্যু একনেকে ১৬ হাজার কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন ২ কোটি শিশু হামের টিকার আওতায়, এক মাসে আরও ৩৫ লাখকে টিকা : স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলায় সারা দেশে স্বাস্থ্যসেবা জোরদার সরকারের ওজন কমাতে কেন এই পাঁচ চা খাবেন? নারীদের হার্ট অ্যাটাকের গোপন ৪ সংকেত, যা অবহেলা করলেই বিপদ নতুন গবেষণা, গর্ভাবস্থায় সংক্রমণ হলে প্রতিবন্ধী হতে পারে শিশু এলপিজির সংকট নেই, মজুতদারি করলে ব্যবস্থা : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হৃদয়ের সতর্কসংকেত উপেক্ষা করা যাবে না : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

শিশুকে জোর করে খাওয়ানো কতটা উপকারি?

প্রতিনিধির নাম / ২১৭ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : September 2, 2024
শিশুকে জোর করে খাওয়ানো কতটা উপকারি?

অনেক শিশুর অভিভাবকরা মনে করে, শিশুকে বেশি করে খাওয়ালে সে অনেক পুষ্টি পাবে। অনেকে এই ব্যাপারে অবগত নয় যে, অল্প পরিমাণ খাবার খাওয়া কোনো সমস্যা নয়। উপকারি উপাদানসমৃদ্ধ খাবার কম খেলেও; শিশু শরীরে প্রয়োজনীয় সকল পুষ্টি উপাদান, পর্যাপ্ত পরিমাণে সরবরাহ করা সম্ভব। তাই তার জোর করে বাচ্চাদের খাওয়াতে চায়। শকি সবজি বা ফলমূলের মতো স্বাস্থ্যকর খাবারও জোর করে খাওয়ানো উচিত নয়। এতে আরও বরং শিশুর উপকার না হয়ে ক্ষতি হয়! এরকম পরিস্থিতিতে করণীয় হিসেবে ডায়েটেশিয়ান শিবানি আহুজা পরামর্শ দিয়েছেন-

১. শিশুররা সাধারণত অনেক বাছ-বিচার করে খাবার খায়। যেসব সবজি তারা পছন্দ করে না, তা খেথে চায় না। বেড়ে ওঠার বয়সে এটি খুবই স্বভাবিক লক্ষণ। জোর করে খাবার খাওয়াতে চাইলে সেই খাবারের প্রতি বিতৃষ্ণা আরও বাড়তে পারে। বেড়ে ওঠার সাথে সাথে শিশুদের স্বাদেরও পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়। তাই জোর না করে অপেক্ষা করা ভালো।

২. বড়দের মতো শিশুদের মধ্যেও ক্ষুধার তারতম্য দেখা যায়। কখনো কখনো হতে পারে তারা অতো বেশি ক্ষুধার্ত নয়। সেই সময় জোর করে খাওয়ানো উচিত নয়। এতে তাদের অস্বস্তি হতে পারে। এছাড়া, তাদের বড় হওয়ার ক্ষেত্রে প্রভাব পড়তে পারে। তাই তাদের ক্ষুধার সময়ের প্রতি এবং খাবারের পরিমাণের প্রতি খেয়াল রাখতে হবে।

৩. শিশুদের শিখাতে হবে কিভাবে তারা তাদের দেহের চাহিদা বুঝতে পারে। কখন ক্ষুধা লাগছে, কখন পেট ভরেছে- অনেক সময় শিশুরা এগুলো বুঝতে পারে না। শিশুরা বুঝতে শিখে গেলে তাদের বেড়ে ওঠার ক্ষেত্রে ইতিবাচক প্রভাব পরে।

৪. শুধু জোর করে খাওয়ানোর বদলে, শিশুর স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস গড়ে তোলার চেষ্টা করতে হবে। শিশুর খাবারে রঙিন এবং পুষ্টিকর উপাদান রাখতে হবে। শিশু যেন খাবারের প্রতি আকৃষ্ট হয়, সেভাবে খাবার তৈরির চেষ্টা করতে হবে। খাবারের প্রতি শিশুর ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি করতে, খাবারের ব্যাপারে শিশুর মতামত নিন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির অন্যান্য খবর