রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ০৭:২৬ পূর্বাহ্ন
Banner
আজকের শিরোনাম :
ক্যান্সার চিকিৎসায় আসছে ১৭ রেডিওথেরাপি মেশিন, রোবটিক সার্জারির ৫টিও এ বছর ২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে  ৬ জনের মৃত্যু একনেকে ১৬ হাজার কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন ২ কোটি শিশু হামের টিকার আওতায়, এক মাসে আরও ৩৫ লাখকে টিকা : স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলায় সারা দেশে স্বাস্থ্যসেবা জোরদার সরকারের ওজন কমাতে কেন এই পাঁচ চা খাবেন? নারীদের হার্ট অ্যাটাকের গোপন ৪ সংকেত, যা অবহেলা করলেই বিপদ নতুন গবেষণা, গর্ভাবস্থায় সংক্রমণ হলে প্রতিবন্ধী হতে পারে শিশু এলপিজির সংকট নেই, মজুতদারি করলে ব্যবস্থা : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হৃদয়ের সতর্কসংকেত উপেক্ষা করা যাবে না : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

যেভাবে রাতে আপনার সন্তানের পর্যাপ্ত ঘুম নিশ্চিত করবেন!

প্রতিনিধির নাম / ২১৪ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : May 10, 2025
যেভাবে রাতে আপনার সন্তানের পর্যাপ্ত ঘুম নিশ্চিত করবেন!

অনেক বাবা-মা রাতের বেলা শিশুদের ঘুমাতে না চাওয়া বা দেরি করে ঘুমানো নিয়ে চিন্তিত থাকেন। বিশেষ করে বর্তমান ডিজিটাল যুগে যখন মোবাইল, টিভি ও ট্যাবলেট শিশুদের দৈনন্দিন জীবনের অংশ হয়ে উঠেছে, তখন তাদের ঘুমের রুটিন ভেঙে যাওয়াটা খুব স্বাভাবিক ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবে চিন্তার কিছু নেই। সঠিক নিয়ম, রুটিন ও অভ্যাস গড়ে তুললে বাচ্চার ঘুমের সমস্যা সহজেই দূর করা সম্ভব।

মোবাইল বা ট্যাবলেটের আলো (blue light) মস্তিষ্ককে জাগ্রত রাখে। এতে করে শরীর ঘুমের জন্য তৈরি হতে পারে না। প্রতিদিন ঘুমাতে যাওয়ার নির্দিষ্ট সময় না থাকলে শিশুর শরীর ও মন অভ্যস্ত হতে পারে না। চকলেট, কেক, কোমল পানীয় ইত্যাদি ঘুমের আগে খেলে শিশু অতিরিক্ত শক্তি পেয়ে যায়, ফলে সহজে ঘুম আসে না।

ঘুমানোর আগে উত্তেজনাপূর্ণ ভিডিও, গেম বা পারিবারিক টেনশন শিশুর মনকে উদ্বিগ্ন করে তোলে। প্রতিদিন একটি নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমাতে যাওয়ার অভ্যাস তৈরি করুন। ঘুমানোর সময় ঘরে হালকা আলো, শান্ত পরিবেশ রাখুন। ঘুমানোর অন্তত ১ ঘণ্টা আগে মোবাইল, টিভি বা ট্যাব বন্ধ করে দিন। এতে করে শিশুর মন ধীরে ধীরে ঘুমের জন্য প্রস্তুত হয়।

বাচ্চাকে গল্প পড়ে শোনানো, নরম সঙ্গীত বাজানো বা একসাথে বসে হালকা আলাপ করাও ঘুমের জন্য খুব উপকারী। রাতের খাবার হালকা রাখুন। বেশি মশলা বা চিনি থাকলে ঘুমে সমস্যা হতে পারে। বাচ্চাকে যেন দিনে পর্যাপ্ত খেলাধুলা করতে দেয়া হয়। এতে শরীর ক্লান্ত হয়, রাতে সহজে ঘুম আসে।

ঘুমের সময় শিশুদের মস্তিষ্ক নতুন তথ্য শিখে মজবুত করে। শরীরের বৃদ্ধি ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে ওঠে ঘুমের সময়ই। পর্যাপ্ত ঘুম না হলে শিশু খিটখিটে মেজাজ, মনোযোগের ঘাটতি ও শারীরিক দুর্বলতায় ভুগতে পারে।

এছাড়া ঘুমানোর জন্য নির্দিষ্ট পোষাক (night dress) ব্যবহার করুন — এতে শিশুর মনে ঘুমের সিগন্যাল যাবে। রাতে বেশি পানি খাওয়া এড়িয়ে চলুন, নইলে ঘন ঘন টয়লেটে যাওয়ার জন্য ঘুম ভেঙে যাবে। ঘরে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখুন — টিভির আওয়াজ বা অন্যদের কথাবার্তা যেন বাচ্চার ঘুমে ব্যাঘাত না ঘটায়।

বাচ্চার ঘুমের সমস্যা খুব সাধারণ একটি বিষয়, কিন্তু এটি অবহেলা করলে দীর্ঘমেয়াদে শারীরিক ও মানসিক সমস্যার জন্ম দিতে পারে। তাই শুরু থেকেই নিয়ম মেনে চলা, প্রযুক্তির ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ, ও পরিবারিক শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার মাধ্যমে এই সমস্যার সহজ ও কার্যকর সমাধান সম্ভব।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির অন্যান্য খবর