রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ০৭:২৬ পূর্বাহ্ন
Banner
আজকের শিরোনাম :
ক্যান্সার চিকিৎসায় আসছে ১৭ রেডিওথেরাপি মেশিন, রোবটিক সার্জারির ৫টিও এ বছর ২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে  ৬ জনের মৃত্যু একনেকে ১৬ হাজার কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন ২ কোটি শিশু হামের টিকার আওতায়, এক মাসে আরও ৩৫ লাখকে টিকা : স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলায় সারা দেশে স্বাস্থ্যসেবা জোরদার সরকারের ওজন কমাতে কেন এই পাঁচ চা খাবেন? নারীদের হার্ট অ্যাটাকের গোপন ৪ সংকেত, যা অবহেলা করলেই বিপদ নতুন গবেষণা, গর্ভাবস্থায় সংক্রমণ হলে প্রতিবন্ধী হতে পারে শিশু এলপিজির সংকট নেই, মজুতদারি করলে ব্যবস্থা : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হৃদয়ের সতর্কসংকেত উপেক্ষা করা যাবে না : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

সন্তানের আবেগ বুঝতে বাবাদের যা করা উচিত

প্রতিনিধির নাম / ১০৮ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : June 24, 2026
সন্তানের আবেগ বুঝতে বাবাদের যা করা উচিত

সন্তানেরা মায়ের সঙ্গে যত দ্রুত মিশে যেতে পারে, বাবার সঙ্গে তত দ্রুত নয়। কেন নয়?— তা আজকে আমাদের আলোচ্য বিষয় নয়। আমরা জানি, সন্তানের জীবনের গুরুত্বপূর্ণ এবং অপরিহার্য মানুষ একজন বাবা। বাবার সক্রিয় উপস্থিতি ও ইতিবাচক সম্পৃক্ততা সন্তানের আত্মবিশ্বাস, মানসিক স্বাস্থ্য এবং সামাজিক দক্ষতা বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই সন্তানদের সঙ্গে সুস্থ ও গভীর সম্পর্ক গড়ে তোলা শুধু আবেগের বিষয় নয়, বরং শিশুর সামগ্রিক বিকাশের জন্যও অপরিহার্য।

ইউনিসেফ বলছে, সন্তানের সঙ্গে নিয়মিত সময় কাটানো বাবা-সন্তানের বন্ধনকে দৃঢ় করে তুলতে পারে। প্রতিদিন অন্তত কিছু সময় শুধু সন্তানের জন্য রাখুন—হতে পারে গল্প করা, হাঁটতে যাওয়া কিংবা একসঙ্গে খেলাধুলা করা। সময়ের পরিমাণের চেয়ে গুণগত সময় বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

সন্তানের কথা মনোযোগ দিয়ে শুনুন
সন্তানের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক গড়ে তোলার অন্যতম উপায় হলো সে কথা বলতে এলে তা গুরুত্ব দিয়ে শোনা। সন্তানের অনুভূতি, ভয়, আনন্দ কিংবা হতাশার কথা বিচার না করে শোনার চেষ্টা করুন। হার্ভার্ড হেলথের মতে, সহানুভূতির সঙ্গে শোনা এবং সন্তানকে অনুভব করানো যে তার কথা গুরুত্ব পাচ্ছে— যা সম্পর্ককে আরো ইতিবাচক করে তোলে।

শুধু পড়াশোনা বা শৃঙ্খলা নিয়ে কথা বলার পরিবর্তে সন্তানের আগ্রহের জায়গাগুলোতে অংশ নিতে পারেন। সন্তানের সঙ্গে খেলাধুলা, ছবি আঁকা, রান্না বা সিনেমা দেখা সম্পর্ককে সহজ ও স্বতঃস্ফূর্ত করে। গবেষণায় দেখা গেছে, শিশুকেন্দ্রিক এবং আনন্দদায়ক কার্যক্রম বাবা-সন্তানের সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করে।

অনেক বাবা মনে করেন, সন্তানের কাছে ক্ষমা চাওয়ার কিছু নেই। ক্ষমা চাওয়াকে দুর্বলতার লক্ষণ হিসেবে দেখেন তারা। কিন্তু বাস্তবে ভুল স্বীকার এবং আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করলে সন্তানের কাছে বাবা আরো বিশ্বাসযোগ্য হয়ে ওঠেন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সম্পর্ক মেরামতে ক্ষমা চাওয়া এবং সন্তানের অনুভূতিকে স্বীকৃতি দেওয়া খুবই কার্যকর।

ভালোবাসা প্রকাশে কার্পণ্য করবেন না

অনেক পরিবারে বাবারা ভালোবাসা অনুভব করলেও তা প্রকাশ করতে চান না। অথচ প্রশংসা, আলিঙ্গন, উৎসাহ বা ছোট ছোট ইতিবাচক মন্তব্য সন্তানের আত্মবিশ্বাস বাড়ায় এবং আবেগগত নিরাপত্তা তৈরি করে। সুতরাং আপনার উচিত হলো সন্তানের সঙ্গে সেই আচরণ করা যাতে সে আবেগগত নিরাপত্তা বোধ করে।ইউনিসেফের মতে, শিশুর সুস্থ মানসিক বিকাশের জন্য ভালোবাসা ও স্নেহ প্রকাশ অপরিহার্য।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির অন্যান্য খবর