বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬, ০৮:৫৭ পূর্বাহ্ন
Banner
আজকের শিরোনাম :
খাদ্যাভ্যাস নাকি ব্যায়াম : ওজন কমানোর জন্য কোনটি বেশি ভালো? এক সপ্তাহে এক কেজি ওজন কমিয়ে ফেলুন খুব সহজেই! অ্যাজমা নিয়ন্ত্রণে যেসব খাবার খাবেন, যেগুলো এড়াবেন জীবনে কেন প্রবেশ করে ডিপ্রেশন? মুক্তির উপায়গুলো দেখুন দেশে আরো ৩ নতুন উপজেলা ও ১টি থানা অনুমোদন চিকিৎসকদের গল্পগুজব করে কাটালে হবে না, রোগীদেরও খেয়াল রাখতে হবে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী ৩৮ জেলায় নেই আইসিইউ, গ্রামীণ স্বাস্থ্যসেবায় বড় সংকট : ডা. জুবাইদা রহমান পুরোনো মেডিকেল কলেজগুলোতে ‘ক্রিটিক্যাল কেয়ার’ কোর্স চালুর আহ্বান ডা. জাহিদ হোসেনের সন্তানের আবেগ বুঝতে বাবাদের যা করা উচিত নারায়ণগঞ্জে ২৮ জুন ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল পাবে সোয়া ১ লাখ শিশু

সন্তানের আবেগ বুঝতে বাবাদের যা করা উচিত

প্রতিনিধির নাম / ১৮ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : June 24, 2026
সন্তানের আবেগ বুঝতে বাবাদের যা করা উচিত

সন্তানেরা মায়ের সঙ্গে যত দ্রুত মিশে যেতে পারে, বাবার সঙ্গে তত দ্রুত নয়। কেন নয়?— তা আজকে আমাদের আলোচ্য বিষয় নয়। আমরা জানি, সন্তানের জীবনের গুরুত্বপূর্ণ এবং অপরিহার্য মানুষ একজন বাবা। বাবার সক্রিয় উপস্থিতি ও ইতিবাচক সম্পৃক্ততা সন্তানের আত্মবিশ্বাস, মানসিক স্বাস্থ্য এবং সামাজিক দক্ষতা বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই সন্তানদের সঙ্গে সুস্থ ও গভীর সম্পর্ক গড়ে তোলা শুধু আবেগের বিষয় নয়, বরং শিশুর সামগ্রিক বিকাশের জন্যও অপরিহার্য।

ইউনিসেফ বলছে, সন্তানের সঙ্গে নিয়মিত সময় কাটানো বাবা-সন্তানের বন্ধনকে দৃঢ় করে তুলতে পারে। প্রতিদিন অন্তত কিছু সময় শুধু সন্তানের জন্য রাখুন—হতে পারে গল্প করা, হাঁটতে যাওয়া কিংবা একসঙ্গে খেলাধুলা করা। সময়ের পরিমাণের চেয়ে গুণগত সময় বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

সন্তানের কথা মনোযোগ দিয়ে শুনুন
সন্তানের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক গড়ে তোলার অন্যতম উপায় হলো সে কথা বলতে এলে তা গুরুত্ব দিয়ে শোনা। সন্তানের অনুভূতি, ভয়, আনন্দ কিংবা হতাশার কথা বিচার না করে শোনার চেষ্টা করুন। হার্ভার্ড হেলথের মতে, সহানুভূতির সঙ্গে শোনা এবং সন্তানকে অনুভব করানো যে তার কথা গুরুত্ব পাচ্ছে— যা সম্পর্ককে আরো ইতিবাচক করে তোলে।

শুধু পড়াশোনা বা শৃঙ্খলা নিয়ে কথা বলার পরিবর্তে সন্তানের আগ্রহের জায়গাগুলোতে অংশ নিতে পারেন। সন্তানের সঙ্গে খেলাধুলা, ছবি আঁকা, রান্না বা সিনেমা দেখা সম্পর্ককে সহজ ও স্বতঃস্ফূর্ত করে। গবেষণায় দেখা গেছে, শিশুকেন্দ্রিক এবং আনন্দদায়ক কার্যক্রম বাবা-সন্তানের সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করে।

অনেক বাবা মনে করেন, সন্তানের কাছে ক্ষমা চাওয়ার কিছু নেই। ক্ষমা চাওয়াকে দুর্বলতার লক্ষণ হিসেবে দেখেন তারা। কিন্তু বাস্তবে ভুল স্বীকার এবং আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করলে সন্তানের কাছে বাবা আরো বিশ্বাসযোগ্য হয়ে ওঠেন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সম্পর্ক মেরামতে ক্ষমা চাওয়া এবং সন্তানের অনুভূতিকে স্বীকৃতি দেওয়া খুবই কার্যকর।

ভালোবাসা প্রকাশে কার্পণ্য করবেন না

অনেক পরিবারে বাবারা ভালোবাসা অনুভব করলেও তা প্রকাশ করতে চান না। অথচ প্রশংসা, আলিঙ্গন, উৎসাহ বা ছোট ছোট ইতিবাচক মন্তব্য সন্তানের আত্মবিশ্বাস বাড়ায় এবং আবেগগত নিরাপত্তা তৈরি করে। সুতরাং আপনার উচিত হলো সন্তানের সঙ্গে সেই আচরণ করা যাতে সে আবেগগত নিরাপত্তা বোধ করে।ইউনিসেফের মতে, শিশুর সুস্থ মানসিক বিকাশের জন্য ভালোবাসা ও স্নেহ প্রকাশ অপরিহার্য।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির অন্যান্য খবর