১) শরীরে সোডিয়ামের মাত্রা যদি কম হয়, তা হলে হাইপোনেট্রমিয়া হতে পারে। আবার পানির মাত্রা বেড়ে গেলেও শরীর বিগড়ে যায়। সে ক্ষেত্রে দারুণ কাজ করবে এই লবণ-পানি।
২) হজমের সমস্যায় সবচেয়ে ভালো কাজ করে লবণ-পানি। ২০১০ সালের একটি সমীক্ষা অনুযায়ী, লবণ-পানি পান করলে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা থেকে যেমন মুক্তি পাওয়া যায়, তেমনই পেটব্যথা, হজমের গোলমালের মতো শারীরিক কষ্ট থেকেও পরিত্রাণ সম্ভব। শুধু তা-ই নয়, লবণ-পানি নিয়মিত পানে পেটও ভালো থাকে। হজমের ক্ষমতাও বাড়ে।
৩) সকালে এক চিমটি লবণ গরম পানিতে মিশিয়ে খেলে মেদ ঝরাতে সাহায্য করে। গরম পানিতে লবণের মিশ্রণ শরীরের যাবতীয় টক্সিন বাইরে বের করে দেয়।
৪) ঘাম, প্রস্রাবের মাধ্যমে শরীরের পানি বেরিয়ে যায়। ক্লান্তি আসে। তখন লবণ-পানি শরীরে ওই পানির ঘাটতি পূরণ করবে নিমিষেই।
৫) ত্বকের জন্যও গরম পানিতে লবণ দারুণ কাজে দেয়। নিয়মিত লবণ-পানি পানে ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ে। সোরিয়াসিসের মতো অসুখে ভালো সাড়া দেয় এই লবণ-পানি।
৬) দাঁতের যত্নেও লবণ-পানি পান করতে পারেন। মাড়িতে ব্যথা হলে এই পানীয় দিয়ে কুলকুচি করলে স্বস্তি পাওয়া যায়। আর এই পানীয় যদি নিয়মিত পানের অভ্যাস করা যায়, তা হলে দাঁত এমনিতেই ভাল থাকে।







