শীতের হিমেল হাওয়া গায়ে লাগতেই আলসেমি এসে ভর করেছে শরীরে। আলমারি থেকে কম্ফোর্টার আর কম্বল বের করে গায়ে জড়াতে শুরু করেছেন অনেকে। ঠান্ডা আবহাওয়ায় একটু বেশিসময় ঘুমিয়ে থাকতে কার না বিস্তারিত....
শীতে শরীর সুস্থ রাখা একটি চ্যালেঞ্জিং বিষয়। কারণ এই ঠাণ্ডা আবহাওয়ার খুব সহজেই নানা সংক্রমণ ও ব্যাধি ছড়িয়ে পড়ে। শীতে আমাদের শরীরে অস্থিরতা ও অলসতা অনুভূত হওয়া স্বাভাবিক। তাই সুস্থ
যদি ওজন কমানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করেন, তাহলে টেকসই খাদ্যতালিকাগত পরিবর্তন আনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের খাবারে এত বেশি বৈচিত্র রয়েছে যে স্বাদ না কমিয়েও সুষম খাদ্য খাওয়া সম্ভব। তাই দুশ্চিন্তার কিছু
আমরা আরামপ্রিয় জাতি। পরিশ্রমের কাজ বেশিরভাগ মানুষই করতে চাই না। আধুনিক প্রযুক্তি আমাদের আরও বেশি আরামপ্রিয় করে তুলেছেন। যেমন ধরুন- একতলা থেকে দোতলা বা তিনতলায় উঠতেও আমরা কয়েক মিনিট ধরে
শরীরের যত্ন নেয়ার পাশাপাশি নিয়মিত ওজন মাপাও জরুরি। তবে ওজন মাপার সঠিক সময় আছে। এমনকি কিছু সময় আছে যখন ওজন মাপলেই ভুল তথ্য পাবেন। প্রায়ই ওজনের বড় পার্থক্য অবাক করে
নতুন বছর যারা ওজন কমিয়ে, মেদ ঝরিয়ে ফিট হতে চান, তারা শুরু থেকেই সচেতন হোন। শীতে খাওয়া দাওয়া বেশি হওয়ার কারণে ওজন বেড়ে যায়। এসময় জিমে যাওয়াও হয়ে উঠে না।
আমরা পেটের মেদ জমলে স্বাস্থ্য নিয়ে চিন্তায় পড়ি। আর মেদ বৃদ্ধির কারণে হৃদরোগ থেকে ডায়াবেটিসসহ বিভিন্ন রোগের আশঙ্কাও বাড়তে থাকে। বিপাক ক্রিয়া দুর্বল করে তোলে। আর এ দুশ্চিন্তার মধ্যে পেটের
খেতে ভালবাসেন অনেকেই। কিন্তু, দেহের ওজন ঝরাতে গিয়ে তাদের সমস্ত লোভনীয় খাবার ত্যাগ করতে হয়, যা মেনে নেওয়া খুবই কষ্টের। আবার ইচ্ছা এবং সময় না থাকলেও অনেকে ব্যায়াম করতে বাধ্য