চুল পড়া অত্যন্ত জটিল সমস্যা। প্রতিনিয়ত এ কারণে হীনমন্যতায় ভোগেন অনেকেই। এমনকি হেয়ার ফলের কারণে টাকও পড়ে যায় অনেকের মাথায়। তাই এই সমস্যার সহজ সমাধান চান সবাই। চুল পড়া রোধ বিস্তারিত....
শীতকালে জয়েন্টে ব্যথা মাত্রাতিরিক্ত বৃদ্ধি পায়। এ সময় যারা আর্থরাইটিস, রিওমাটয়েড আর্থরাইটিস ও অস্ট্রিওআর্থরাইটিসের মতো হাড়ক্ষয় রোগে ভুগছেন তাদের কষ্ট বহুলাংশে বেড়ে যায়। এ ছাড়া পেশি, লিগামেন্ট, হাড় ও স্নায়ুর
ঠান্ডা এবং শুষ্ক আবহাওয়া আপনার চুলের ওপর বিশেষ প্রভাব ফেলে। এই ফলে চুল ভেঙে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়। বাতাসে আদ্রতা কম থাকলে চুল ভঙ্গুর হয়ে যেতে পারে। এই সময়ে চুল
বেশিরভাগ মানুষেরই বদহজম ও গ্যাসের সমস্যা রয়েছে। অনেক সময় এই সমস্যা থেকে নানান ধরনের অসুস্থতায় পড়ে মানুষ। বিশেষজ্ঞদের মতে, পাকস্থলী ও মস্তিষ্কের মধ্যে গভীর সম্পর্ক রয়েছে। গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল সিস্টেমের সমস্যার কারণে
পিরিয়ডের সময় ব্যথা সহ্য করতে হয় অনেক নারীকেই। এটি সহজ কিছু নয়। এই ব্যথার তীব্রতা কেবল ভুক্তভোগীই জানেন। অনেকেই এই ব্যথা থেকে বাঁচতে পেইন কিলার বেছে নেন। কিন্তু দীর্ঘ মেয়াদে
চুল পড়ার সমস্যায় প্রায় প্রত্যেককেই পড়তে হয়। বিশ্বব্যাপী এটি একটি সাধারণ উদ্বেগ। জেনেটিক্স, স্ট্রেস, হরমোনের ভারসাম্যহীনতা এবং জীবনযাপনের মতো বিভিন্ন কারণে এই সমস্যা দেখা দিতে পারে। প্রতিদিন ৫০ থেকে ১০০টি
সাধারণত গরম কিছুতে ছেঁকা লাগলে বা ফুটন্ত খাবার-পানীয়ে খেতে গিয়ে জিহ্বায় ফোস্কা পড়তে পারে। তা আবার অনেক সময় নিজে থেকে সেরেও যায়। তবে চিকিৎসকরা বলছেন, শরীরে নির্দিষ্ট কোনো ভিটামিন বা
সকালে ঘুম থেকে উঠে হোক বা রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে—দাঁত মাজতেই হবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ডিনারের শেষে দাঁত মাজা সবচেয়ে ভালো অভ্যাস। ঠিকমতো দাঁতের যত্ন না নিলে ওরাল হেলথ কোন দিনও