‘সুস্থ দেহ প্রশান্ত মন, কর্মব্যস্ত সুখী জীবন’ বাণীটি আমাদের সবারই জানা। তবে, সুস্থ থাকার কথা উঠলেই অনেকের মনে আসে জিমের খরচ, দামি খাবার, স্পা কিংবা নানা ধরনের ওয়েলনেস প্রোগ্রাম। কিন্তু বিস্তারিত....
ব্যস্ত জীবনযাত্রা, অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাস আর ঘণ্টার পর ঘণ্টা চেয়ারে বসে কাজ করার সবচেয়ে বড় মাশুল দিতে হয় আমাদের পেটকে। ওজন শরীরের অন্য অংশে ততটা না বাড়লেও, পেটের চর্বি বা ‘বেলি
সুঠাম দেহ গঠনের জন্য আমরা অনেকেই নিয়মিত জিম করি। ওজন কমাতে ব্যায়াম করেন অনেকে। তবে শরীরচর্চা শুধু বাহ্যিক সৌন্দর্যের জন্য নয়, বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পেশি ও হাড়ের স্বাস্থ্য ভালো
ওজন কমাতে কেউ ডায়েটিং , কেউ বা আবার নিয়মিত ব্যায়াম করেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, অতিরিক্ত ওজন কমাতে এবং আদর্শ ওজন বজায় রাখতে স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া এবং নিয়মিত ব্যায়াম দুটিই প্রয়োজন। কিন্তু
প্রশ্ন যখন মেদ কমানোর হয় তখন আমরা হরহামেশাই সেটার সাথে সময়ের একটা বিনুনি গেঁথে দিই। শরীরে মেদ এক বছর ধরে জমুক বা ১০ বছর, ‘ওয়েট লস’র সময় আমাদের চিন্তা থাকে
ডিজিটাল যুগে বেশিরভাগ মানুষ দিনের বড় একটি অংশ কম্পিউটার, ল্যাপটপ বা মোবাইলের সামনে বসে কাটান। অফিসের কাজ, অনলাইন ক্লাস কিংবা ফ্রিল্যান্সিং—সব ক্ষেত্রেই দীর্ঘক্ষণ বসে থাকার প্রবণতা বেড়েছে। কিন্তু এই অভ্যাস
পেটের মেদ ও স্থূলতা বর্তমানে পুরুষদের জন্য একটি উদ্বেগজনক স্বাস্থ্য সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। আগে সাধারণত মধ্যবয়সী ব্যক্তিদের মধ্যেই ভুঁড়ির প্রবণতা বেশি দেখা যেত, কিন্তু এখন তরুণরাও এ সমস্যার শিকার হচ্ছেন।
সুস্থ শরীর ও স্বাভাবিক জীবনের জন্য পর্যাপ্ত ঘুমের বিকল্প নেই। তবে কম ঘুম যেমন শরীর ও মনের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে, তেমনি অতিরিক্ত ঘুমও নীরবে নানা জটিলতার কারণ হতে পারে।